মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৩৫ অপরাহ্ন

কুড়িগ্রামে যমজ তিন বোনের অনন্য সাফল্য, সবাই পেল ট্যালেন্টপুল বৃত্তি

এইবাংলা অনলাইন
  • প্রকাশকালঃ রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি :

কুড়িগ্রামে এবার প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় অনন্য সাফল্য অর্জন করেছে যমজ তিন বোন। পঞ্চম শ্রেণির প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় তিনজনই ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে।

তারা হলেন—কুড়িগ্রাম জজকোর্টের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মো. তারিকুর রহমান তারিক ও গৃহিণী মোছা. শাহিনা আক্তারের কন্যা মোছা. তাহিয়া রহমান, মোছা. তাকিয়া রহমান এবং মোছা. তাবিয়া রহমান।

তাহিয়া রহমান ও তাকিয়া রহমান কুড়িগ্রাম সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এবং তাবিয়া রহমান অর্জুনডারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে এবার প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নেয়। বর্তমানে তাহিয়া ও তাকিয়া কুড়িগ্রাম সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে এবং তাবিয়া কুড়িগ্রাম বর্ডার গার্ড স্কুলে ষষ্ঠ শ্রেণিতে অধ্যয়ন করছে।

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার পৌর শহরের টেক্সটাইল মোড় এলাকার বাসিন্দা এই তিন বোন জানায়, বাবা-মা সবসময় তাদের পড়াশোনার প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন এবং নিয়মিত উৎসাহ জুগিয়েছেন। শিক্ষকদের আন্তরিক দিকনির্দেশনা ও পরিবারের সহযোগিতায় তারা এ সাফল্য অর্জন করতে পেরেছে। ভবিষ্যতেও মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করে আরও ভালো ফল করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে সবার কাছে দোয়া চেয়েছে তারা।

দৈনিক এই বাংলার সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন

তাদের বাবা অ্যাডভোকেট মো. তারিকুর রহমান তারিক বলেন, “একসঙ্গে আমার তিন কন্যার ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি অর্জন আমার জন্য অত্যন্ত আনন্দ ও গর্বের বিষয়। মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি। তবে এ সাফল্যের সবচেয়ে বড় কৃতিত্ব তাদের মায়ের। তার অক্লান্ত পরিশ্রম, ধৈর্য, ত্যাগ ও স্নেহময় পরিচর্যার ফলেই আজ তারা এই অর্জন করেছে।”

তিনি আরও বলেন, “শিক্ষকদের প্রতিও আমি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই। সবাই আমার সন্তানদের জন্য দোয়া করবেন, যেন তারা ভবিষ্যতে আরও ভালো ফলাফল অর্জন করে সৎ, আদর্শ ও মানবিক মানুষ হিসেবে দেশের সেবা করতে পারে।”

কুড়িগ্রাম সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা মোছা. গোলেনুর বেগম বলেন, “যমজ তিন বোনের একসঙ্গে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি অর্জন একটি অসাধারণ সাফল্য। আমাদের বিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থী এ কৃতিত্ব অর্জন করেছে। এটি বিদ্যালয়ের জন্য গর্বের এবং অন্য শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণার।”

এই বাংলা/এমএস

টপিক

এই সম্পর্কিত আরো খবর