কুড়িগ্রাম জেলা বাস-মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়নের ত্রি-বার্ষিক নির্বাচনে সভাপতি পদে মো. হাসান আলী এবং সাধারণ সম্পাদক পদে মো. সহিদুজ্জামান রাছেল নির্বাচিত হয়েছেন।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) কুড়িগ্রাম আলিয়া কামিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে সকাল ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ভোটগ্রহণ শেষে ভোট গণনা করা হয়। পরে শনিবার (১৫ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে নির্বাচন পরিচালনা কমিটি বেসরকারিভাবে ফলাফল ঘোষণা করে।
নির্বাচনে ১৯টি পদে মোট ৪৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ফলাফলে সভাপতি পদে ‘রিকশা’ প্রতীকে মো. হাসান আলী ২ হাজার ২৮১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। সাধারণ সম্পাদক পদে মো. সহিদুজ্জামান রাছেল পেয়েছেন ২ হাজার ১২১ ভোট।
নির্বাচনে কার্যকরী সভাপতি পদে মো. আব্দুল জলিল, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মো. জিয়াউর রহমান জিয়া, অর্থ সম্পাদক পদে মো. আলমগীর কবির, ধর্ম, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে মো. আয়নাল হক এবং শ্রমিক কল্যাণ সম্পাদক পদে মো. জাহাঙ্গীর আলম বুল্টু নির্বাচিত হয়েছেন।
এ ছাড়া সহসভাপতি পদে মো. আব্দুল জলিল ও মো. বাবুল হোসেন, সহসাধারণ সম্পাদক পদে মো. আব্দুল লতিফ ও মো. মজিদুল ইসলাম এবং সড়ক সম্পাদক পদে মো. আমিনুল ইসলাম, মো. নূরুজ্জামান ও মো. হাবিবুল ইসলাম নির্বাচিত হন।
কার্যকরী সদস্য পদে মো. আয়নাল হোসেন, এম এ মালেক মন্ডল ও মো. মজিদুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক পদে মো. বাবুল মিয়া এবং দপ্তর সম্পাদক পদে মো. সামছুল হক বাবুল নির্বাচিত হয়েছেন।
নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান ডা. মো. মাহফুজার রহমান মজনু স্বাক্ষরিত ফলাফলপত্রে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়।
নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক মো. সহিদুজ্জামান রাছেল বলেন, শ্রমিকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। তাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করায় শ্রমিকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি তাদের অধিকার ও কল্যাণে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
নবনির্বাচিত সভাপতি মো. হাসান আলী বলেন, শ্রমিকরা যে দায়িত্ব দিয়েছেন, তা সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে পালনের চেষ্টা করবেন। সংগঠনের সদস্যদের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার ও কল্যাণে কাজ করার পাশাপাশি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা সবাইকে সঙ্গে নিয়ে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার কথা জানান তিনি।
নির্বাচনকে ঘিরে শ্রমিক ও প্রার্থীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। ভোটগ্রহণ থেকে ফলাফল ঘোষণা পর্যন্ত কেন্দ্র এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ ছিল।
এই বাংলা/এমএস