রৌমারীতে চার দিন ধরে নিখোঁজ দশম শ্রেণির ছাত্রী, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগ
এইবাংলা অনলাইন
প্রকাশকালঃ
বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি :
কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলায় দশম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রী চার দিন ধরে নিখোঁজ থাকার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় ছাত্রীর দাদি রৌমারী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগে নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় সাবেক রৌমারী উপজেলা চেয়ারম্যান মো. মজিবুর রহমান বঙ্গবাসীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
থানা সূত্রে জানা যায়, গত ১২ জুন রাতে ওই ছাত্রী নিজ বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়। পরিবারের সদস্যরা আত্মীয়স্বজন ও সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি।
লিখিত অভিযোগে ছাত্রীর দাদি দাবি করেন, নিখোঁজ হওয়ার দিন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মো. মজিবুর রহমান বঙ্গবাসী তার নাতনীর সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলেন। পরে রাতের দিকে মেয়েটি নিখোঁজ হয়ে যায়। এরপর বিভিন্ন স্থানে খোঁজ নিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি।
অভিযোগকারী আরও দাবি করেন, পরবর্তীতে অভিযুক্তের কাছে খোঁজ নিতে গেলে তিনি সন্তোষজনক কোনো তথ্য দেননি। এ কারণে তিনি ধারণা করছেন, নিখোঁজের বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তি কিছু জানেন।
তবে অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মো. মজিবুর রহমান বঙ্গবাসী। তিনি বলেন, নিখোঁজ ছাত্রীর সঙ্গে তার কোনো ধরনের অনৈতিক সম্পর্ক বা যোগাযোগ ছিল না। তার দাবি, শিক্ষাসংক্রান্ত বিষয়ে ওই ছাত্রী তার সঙ্গে ফোনে কথা বলেছিল এবং বিষয়টি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে একটি পক্ষ তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে অপপ্রচার চালাচ্ছে। ছাত্রীর নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলেও তিনি দাবি করেন।
এদিকে অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পুলিশ অভিযুক্ত সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলে প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহ করেছে।
রৌমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কাওছার আলী বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। নিখোঁজ ছাত্রীর সন্ধান এবং ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মোহাম্মদ শাহজাহান খান,
সম্পাদক ও প্রকাশক কর্তৃক ১২, পুরানা পল্টন (এল মল্লিক কমপ্লেক্স, ৫ম তলা) ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত ও আর এস প্রিন্টিং প্রেস ৯২, আরামবাগ, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত।