পাবনার ভাঙ্গুড়ায় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সেবার মান ও কার্যক্রম মূল্যায়ন এবং আগামী দিনের কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের লক্ষ্যে কমিউনিটি স্কোরকার্ড বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সম্প্রতি উপজেলার অষ্টমনীষা হালদারপাড়া কমিউনিটিতে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। স্কোরকার্ড বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি বুলবুলি সরকারের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ভাঙ্গুড়া উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. শামীম হাসান। বিশেষ অতিথি ছিলেন সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম।
এ সময় হিন্দু সম্প্রদায়ের সভাপতি নাগর দাস, সাংবাদিক বিকাশ চন্দ্র গোস্বামী, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক পরেশ চন্দ্র গোস্বামীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় বৈরাগীপাড়া, ঘোষপাড়া ও হালদারপাড়াসহ বিভিন্ন এলাকার শতাধিক নারী-পুরুষ অংশ নেন। এর আগে চার দিনব্যাপী কার্যক্রমের মাধ্যমে স্থানীয় জনগণ যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের বিভিন্ন সেবা ও কার্যক্রম মূল্যায়ন করে নির্ধারিত মানদণ্ড অনুযায়ী নম্বর প্রদান করেন। পরে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, ভাঙ্গুড়া, পাবনার পক্ষ থেকেও নিজস্ব মূল্যায়ন নম্বর দেওয়া হয়।
উভয় পক্ষের মূল্যায়নের তুলনামূলক বিশ্লেষণের মাধ্যমে সেবার মানোন্নয়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হয়। বক্তারা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সেবা প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে আরও সহজলভ্য ও কার্যকর করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন কমিউনিটি ভলান্টিয়ার তমা কর্মকার। স্বাগত বক্তব্য দেন পূজা সূত্রধর। কমিউনিটির পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন চৈতি কর্মকারসহ অন্যরা।
মতবিনিময় সভার শেষপর্বে কমিউনিটির জনগণ ও যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রতিনিধিরা যৌথভাবে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করেন। পারস্পরিক দায়বদ্ধতা, সহযোগিতা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।
খ্রিস্টান এইড ও আমরাই পারির সহযোগিতায় বাংলাদেশ ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট (ব্রেড)-এর উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
ব্রেডের কর্মসূচি সমন্বয়কারী আশিকুর রহমান বলেন, ‘কমিউনিটি স্কোরকার্ডের মাধ্যমে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের যে যৌথ কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছে, উভয় পক্ষের দায়বদ্ধতা ও আন্তরিকতা থাকলে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জনগণের প্রত্যাশা ও সরকারি সেবার মধ্যে আরও কার্যকর সংযোগ তৈরি হবে।’
এই বাংলা/এমএস