নাটোর প্রতিনিধি :
নাটোরের বহুল আলোচিত হত্যা ও ডাকাতি মামলায় চার আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় আরেক আসামিকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বুধবার (২২ জুলাই) বিকেলে নাটোরের অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. দেলোয়ার হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন।
যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন শরিফুল ইসলাম, লিটন মণ্ডল ওরফে মিঠন, মাজেদুল ওরফে মাজদুল এবং রানা। আদালত তাদের প্রত্যেককে ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করেন। অনাদায়ে আরও তিন বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
এ ছাড়া একই মামলার অপর একটি ধারায় ওই চারজনকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
অপর আসামি শওকত আলী মণ্ডলকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে তাকে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
দৈনিক এই বাংলার সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন
রায়ে আদালত উল্লেখ করেন, সব সাজা একসঙ্গে কার্যকর হবে। আদায়কৃত জরিমানার অর্থের মধ্যে তিন লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা হবে এবং অবশিষ্ট অর্থ মামলার এজাহারকারীকে প্রদান করতে হবে। এছাড়া আসামিদের পূর্বে হাজতে থাকা সময় সাজা থেকে সমন্বয় করা হবে। পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে ইতোমধ্যে পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
নাটোর জজ কোর্টের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট রুহুল আমিন তালুকদার টগর বলেন, এ ধরনের অপরাধ দমনে এ রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। রায়ে বাদীপক্ষ সন্তোষ প্রকাশ করেছে।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৮ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর রাতে রাজশাহীর বাঘা উপজেলার বেড়ের বাড়ী সরদারপাড়া গ্রামের মো. জিয়া সরদারের ছেলে শান্তকে অটোরিকশা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের বাবা বাগাতিপাড়া মডেল থানায় হত্যা ও ডাকাতির মামলা দায়ের করেন। প্রায় আট বছর পর আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করলেন আদালত।
এই বাংলা/এমএস
টপিক