সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬

গাজীপুরে কার্তিক হত্যা মামলায় দুই আসামি ময়মনসিংহ থেকে গ্রেপ্তার

গাজীপুর প্রতিনিধি
  • প্রকাশকালঃ সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬

গাজীপুর মহানগরীর গাছা থানার কার্তিক হত্যা মামলায় দুই আসামিকে ময়মনসিংহ থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে জেলার হালুয়াঘাট থানার মাশাইল বাজার এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।

রোববার (১ নভেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে গাছা থানা পুলিশের একটি আভিযানিক দল এ অভিযান পরিচালনা করে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মো. শিমুল মিয়া (২৫) ও মো. জহিরুল ইসলাম ওরফে ফালান (৪৯)।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, শিমুল মিয়ার বাবার নাম মৃত ফারুক এবং মায়ের নাম মোকসেদা বেগম। তাঁর স্থায়ী ঠিকানা গাজীপুর মহানগরীর পূবাইল থানার খুরাইদ এলাকায়। অপর আসামি জহিরুল ইসলাম ওরফে ফালানের বাবার নাম মৃত জবেদ আলী এবং মায়ের নাম মৃত রুপবান বেগম। তাঁর বাড়িও একই এলাকায়। তাঁরা গাছা থানার কুনিয়া পাছর চৌধুরী মার্কেট এলাকায় বসবাস করতেন। শিমুল সেখানে ভাসমান অবস্থায় থাকতেন এবং জহিরুল আইনজীবী মামুনের বাড়ির ভাড়াটিয়া ছিলেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, নিহত কার্তিকের (৩৫) বাবার নাম সুশীল চন্দ্র শীল এবং মায়ের নাম আলো রানী। তিনি গাজীপুর মহানগরীর ৩৭ নম্বর ওয়ার্ডের গাছা থানাধীন কুনিয়া পাছর চৌধুরী মার্কেট এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। তাঁর হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গত ২৮ অক্টোবর গাছা থানায় মামলা নম্বর ৪২ দায়ের করা হয়। দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় মামলাটি করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে কাজ শুরু করে গাছা থানা পুলিশ। এরই ধারাবাহিকতায় তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামিদের অবস্থান শনাক্ত করে হালুয়াঘাটের মাশাইল বাজার এলাকায় অভিযান চালানো হয়।

গাছা থানা পুলিশের এসআই মো. সাইফুল আলম ও এসআই মো. সাখাওয়াত হোসেনের নেতৃত্বে অভিযানে এএসআই মো. ইব্রাহিম মিয়াসহ পুলিশের একটি দল অংশ নেয়।

পুলিশ আরও জানায়, গ্রেপ্তার দুই আসামিকে নিয়ে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত আলামত উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি এ ঘটনায় জড়িত অন্য পলাতক আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

গাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্তের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের কারণ, ঘটনার পেছনের রহস্য এবং অন্য কেউ জড়িত রয়েছেন কি না, তা উদ্‌ঘাটনের চেষ্টা চলছে। মামলার সঙ্গে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে।

এই বাংলা/এমএস

এই সম্পর্কিত আরো খবর