পিরোজপুর প্রতিনিধি :
পিরোজপুর জেলা বিএনপির রাজনীতিতে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র ও তৃণমূল নেতাকর্মীদের শেষ আশ্রয়ের নাম অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন।
জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক এবং বর্তমান কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির এই সদস্যের নেতৃত্বে পিরোজপুর বিএনপি আজ যেমন সুসংগঠিত, তেমনি নিরাপদ বোধ করছেন সাধারণ কর্মী-সমর্থকরা। বিশিষ্ট সমাজসেবক আলহাজ্ব সুবহান হাজির সুযোগ্য সন্তান হিসেবে পিরোজপুরের মাটি ও মানুষের সাথে তার সম্পর্ক দীর্ঘদিনের।
দৈনিক এই বাংলার সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন
বিগত ১৭ বছরের দীর্ঘ রাজনৈতিক পরিক্রমায় অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেনকে পাড়ি দিতে হয়েছে এক কণ্টকাকীর্ণ পথ। ফ্যাসিবাদের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে রাজপথে সক্রিয় থাকায় অসংখ্যবার তাকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক মামলা ও হামলার শিকার হতে হয়েছে। দলের দুঃসময়ে কারাবরণ করেছেন বারবার, কিন্তু আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি একচুলও।
কেন্দ্রীয় কমিটির যেকোনো কর্মসূচি বাস্তবায়নে তিনি রাজপথে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করে পিরোজপুরে বিএনপিকে এক শক্তিশালী অবস্থানে দাঁড় করিয়েছেন।
সাধারণ কর্মীদের কাছে অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন কেবল একজন নেতাই নন, বরং একজন অভিভাবক। স্থানীয় নেতাকর্মীদের মতে, যেকোনো বিপদ-আপদে তাকে সবার আগে পাশে পাওয়া যায়। কর্মীদের সুবিধা-অসুবিধা শোনা এবং তাৎক্ষণিক সমাধানের চেষ্টা করা তার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য। রাজনীতির মাঠের বাইরেও সামাজিক দায়বদ্ধতা পালনে তিনি অনন্য।
পিরোজপুরের যেকোনো প্রান্তে সাধারণ মানুষের মৃত্যুর খবর পেলেই তিনি ছুটে যান জানাজায়। শোকসন্তপ্ত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে শুধু সান্ত্বনা নয়, বরং সামর্থ্য অনুযায়ী সর্বোচ্চ সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। নির্বাচনী এলাকার সাধারণ মানুষ ও অসহায় পরিবারের প্রতি তার এই মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি তাকে সাধারণ জনগণের আস্থার ঠিকানায় পরিণত করেছে।
পিরোজপুর জেলা বিএনপির তৃণমূল পর্যায়ের একাধিক কর্মী জানান, অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেনের হাতেই পিরোজপুর বিএনপি নিরাপদ। তিনি আমাদের সুখ-দুঃখের সাথী। গত ১৭ বছর তিনি যেভাবে আমাদের আগলে রেখেছেন, তাতে আমরা বিশ্বাস করি আগামী দিনেও তার নেতৃত্বেই পিরোজপুরে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন বেগবান হবে।
অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেনের এই আপসহীন নেতৃত্ব এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড পিরোজপুরের রাজনীতিতে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে, যা তাকে জেলার সাধারণ মানুষের হৃদয়ে স্থায়ী জায়গা করে দিয়েছে।
এই বাংলা/এমএস
টপিক