Warning: Creating default object from empty value in /home/makkxmmm/dailyeaibangla/wp-content/themes/WebLife-Premimum-News/lib/ReduxCore/inc/class.redux_filesystem.php on line 29
ডিমলায় গভীর রাতে ১০০ বস্তা ইউরিয়া সারবোঝাই ভ্যান আটক, ছাড়ার ঘটনায় প্রশ্ন
মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ডিমলায় গভীর রাতে ১০০ বস্তা ইউরিয়া সারবোঝাই ভ্যান আটক, ছাড়ার ঘটনায় প্রশ্ন

ডিমলা (নীলফামারি) প্রতিনিধি
  • প্রকাশকালঃ মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার খগারহাটে গভীর রাতে অন্যত্র নেওয়ার সময় প্রায় ১০০ বস্তা ইউরিয়া সারবোঝাই চারটি ভ্যানগাড়ি আটকের ঘটনা ঘটেছে। পরে ভ্যানগুলো ছেড়ে দেওয়ার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৫ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে খগারহাট এলাকায় সার পরিবহনের সময় চারটি ভ্যানগাড়ি আটক করেন বাজারের নাইটগার্ড। এ সময় গাড়িচালকদের কাছে সারের বৈধ কাগজপত্র সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়। উপস্থিত ব্যক্তিদের দাবি, তখন প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে পারেননি চালকেরা।

পরে ঘটনাস্থলে স্থানীয় ইউপি সদস্য নুরুল ইসলাম, নূর হক ও দিলীপসহ তিন ইউপি সদস্য এবং দুই গ্রাম পুলিশ উপস্থিত হন। স্থানীয়দের অভিযোগ, ভ্যানগুলো ইউনিয়ন পরিষদে নেওয়ার কথা থাকলেও সেখানে নেওয়ার আগেই ৫৭ হাজার ৫০০ টাকার বিনিময়ে গাড়িগুলো ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে এ অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

খগারহাটের নাইটগার্ড জানান, ভোর সাড়ে ৪টার দিকে চারটি খালি ভ্যান ডিমলার দিকে যেতে দেখেন তিনি। পরে সকাল ৫টা থেকে ৬টার মধ্যে সারবোঝাই ভ্যানগুলো ওই এলাকা দিয়ে যাওয়ার সময় চালকদের কাছে সারের উৎস সম্পর্কে জানতে চান। এ সময় কেউ ভাদুরদগা, কেউ ডিমলা এবং কেউ স্টেডিয়ামের পাশ থেকে সার নেওয়ার কথা জানান বলে দাবি করেন তিনি।

আটকের পর ভ্যানগুলো ইউপি সদস্য ও গ্রাম পুলিশের মাধ্যমে ইউনিয়ন পরিষদে নেওয়ার কথা থাকলেও পরে সেগুলোর অবস্থান ও কী প্রক্রিয়ায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে, তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

এলাকাবাসীর দাবি, ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত তথ্য উদঘাটন এবং অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হোক। একই সঙ্গে ঘটনাস্থলে উপস্থিত নাইটগার্ড, গ্রাম পুলিশ, ইউপি সদস্য, গাড়িচালকসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য নিয়ে বিষয়টি তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

স্থানীয়রা বলেন, কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে পূর্বধারণা না করে সঠিক তথ্য, নথিপত্র ও সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য যাচাইয়ের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত সত্য বের করা প্রয়োজন।

এই বাংলা/এমএস

এই সম্পর্কিত আরো খবর