বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কবরস্থান থেকে ৬টি একনলা বন্দুক ও একটি পাইপগান উদ্ধার

এইবাংলা অনলাইন
  • প্রকাশকালঃ রবিবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২৫
নোয়াখালীতে ভাঙা কবরের ভেতর লুকানো ৭টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার / ছবি - এই বাংলা

নোয়াখালী প্রতিনিধি :

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের একটি কবরস্থান থেকে ৬টি দেশীয় তৈরি একনলা বন্দুক ও একটি পাইপগান উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (৭ নভেম্বর) সকাল সোয়া ৯টার দিকে উপজেলার আলাইয়ারপুর ইউনিয়নের জগদীশপুর গ্রামের মনু মিজির বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানের একটি ভাঙ্গা কবর থেকে এসব অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

দৈনিক এই বাংলার সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে মনু মিজির বাড়ির লোকজন পারিবারিক কবরস্থান পরিষ্কারের সময় একটি ভাঙ্গা কবরে বস্তাবন্দি ব্যাগ পড়ে থাকতে দেখে। পরে তারা বিষয়টি লক্ষীপুরের চন্দ্রগঞ্জ থানা ও বেগমগঞ্জ থানা পুলিশকে জানান। খবর পেয়ে উভয় থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিত্যক্ত ব্যাগটি উদ্ধার করে। ব্যাগ খুলে ভেতরে ৬টি একনলা বন্দুক এবং ১টি পাইপগান পাওয়া যায়।

এ বিষয়ে বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম এ বারী বলেন, “স্থানীয়দের তথ্যের ভিত্তিতে অস্ত্রগুলো উদ্ধার করা হয়েছে। বর্তমানে অস্ত্রগুলো চন্দ্রগঞ্জ থানা হেফাজতে রয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এই বাংলা/এমএস

টপিক

এই সম্পর্কিত আরো খবর

পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় চাকরি জীবনের শেষ কর্মদিবসে প্রধান শিক্ষক মো. মোছাদ্দেকুর রহমানকে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিদায় জানিয়েছেন শিক্ষার্থী, সহকর্মী ও এলাকাবাসী।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার ২৬ নম্বর কালিতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ বিদায় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। দীর্ঘ ৩৩ বছরের শিক্ষকতা জীবনের শেষ কর্মদিবসে প্রিয় শিক্ষককে বিদায় জানাতে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ সাজানো হয়।

অনুষ্ঠানে আলোচনা সভা ও সম্মাননা প্রদান শেষে মো. মোছাদ্দেকুর রহমানকে সুসজ্জিত গাড়িতে করে নিজ বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়। গাড়ির সামনে-পেছনে ছিলেন শিক্ষার্থী, সহকর্মী ও এলাকাবাসী। গাড়িতে ওঠার সময় তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো এবং ফুলের মালা পরিয়ে বিদায় জানানো হয়। এ সময় আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন বিদায়ী প্রধান শিক্ষক।

বিদায়কালে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে মো. মোছাদ্দেকুর রহমান বলেন, “আমি বিদায় নিচ্ছি, কিন্তু দোয়া রেখে গেলাম। তোমরা নিজেদের মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে তুলবে।”

বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা বলেন, বিদায় সবসময়ই কষ্টের। তবে একজন শিক্ষকের কর্মজীবনের শেষ দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে শিক্ষার্থী ও সহকর্মীরা এমন আয়োজন করেছেন। এতে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে শিক্ষকের দীর্ঘদিনের সম্পর্কও প্রতিফলিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বোদা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আজমল আজাদ বলেন, একজন শিক্ষক চাকরিজীবন শেষে বিদ্যালয় থেকে বাড়ি ফেরার সময় সন্তানতুল্য শিক্ষার্থীদের ছেড়ে যাওয়ার কষ্ট অনুভব করেন। মোছাদ্দেকুর রহমানের মতো প্রতিটি শিক্ষকের বিদায়ই স্মরণীয় হওয়া উচিত।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বোদা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আজমল আজাদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বোদা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ইন্সট্রাক্টর এ কে এম সারোয়ার জাহান আহমেদি, উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম, কালিয়াগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. ফজলার রহমান, সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুর রাজ্জাক, কালিয়াগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আব্দুল মোমিন এবং পঞ্চগড় সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মাহমুদুল হকসহ শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

এই বাংলা/এমএস

পঞ্চগড়ে প্রধান শিক্ষককে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিদায়