রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:২৩ অপরাহ্ন

মুক্তিযোদ্ধা কোটার অপব্যবহার ও সম্পদের পাহাড়: ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ অনুসন্ধানের দাবি

এইবাংলা অনলাইন
  • প্রকাশকালঃ মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী, ২০২৬
মুক্তিযোদ্ধা কোটার অপব্যবহার, ঘুষ-দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাশেদ হোসাইনের বিরুদ্ধে / ছবি - এই বাংলা

গাজীপুর প্রতিনিধি :

সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাশেদ হোসাইন-এর বিরুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধা কোটার অপব্যবহার, ঘুষ-দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় ভুক্তভোগী ও সচেতন মহল তার বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ ও উচ্চপর্যায়ের অনুসন্ধানের দাবি জানিয়েছেন।

অভিযোগ অনুযায়ী, রাশেদ হোসাইন সংক্ষিপ্ত সময়ে বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন। গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলার সফিপুর এলাকায় ৭ শতক জমির ওপর প্লান বহির্ভূত ৬ তলা ভবন নির্মাণসহ নাম-বেনামে একাধিক জমি, বিলাসবহুল গাড়ি ও অন্যান্য অবৈধ সম্পদের মালিক হয়েছেন বলে অভিযোগ।

স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা ও জনপ্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, রাশেদ হোসাইনের পিতা আবুল হোসেনের মুক্তিযোদ্ধা পরিচয় নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। সফিপুর এলাকার ৯ নম্বর ওয়ার্ডে “আবুল হোসেন, পিতা ইসহাক” নামে কোনো মুক্তিযোদ্ধাকে তারা চেনেন না। এ বিষয়ে তার পিতা সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, “সুপারিশের কারণে আমার ছেলে ম্যাজিস্ট্রেট হয়েছে।”

দৈনিক এই বাংলার সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন

চাকরিতে যোগদানের পর রাশেদ হোসাইন allegedly শক্তিশালী সিন্ডিকেট গড়ে তোলেন, যেখানে শ্যামনগর এসিল্যান্ড অফিসে টাকা ছাড়া কোনো কাজ হয় না। নামজারি, খারিজ, মিসকেস তদন্তসহ বিভিন্ন কাজে ঘুষ, খতিয়ান জালিয়াতি ও নথি গায়েবের অভিযোগ রয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে ঘুষ দেওয়ার পরও কাজ না হওয়ার অভিযোগও উঠেছে।

এছাড়া তার চাচা বীর মুক্তিযোদ্ধা রায়হানের জমি জোরপূর্বক দখলের অভিযোগ থাকলেও পিতা আবুল হোসেন তা অস্বীকার করেছেন।

স্থানীয় সচেতন মহল ও ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন, মুক্তিযোদ্ধাদের মর্যাদা রক্ষা এবং প্রশাসনের ভাবমূর্তির স্বার্থে রাশেদ হোসাইনের বিরুদ্ধে অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু ও দ্রুত তদন্ত প্রয়োজন। পাশাপাশি ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা তালিকা ও কোটার অপব্যবহার বিষয়গুলো খতিয়ে দেখে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি করা হয়েছে।

এই বাংলা/এমএস

টপিক 

এই সম্পর্কিত আরো খবর