বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বকশীগঞ্জে জলাবদ্ধতা নিরসনে বিএনপি নেতার উদ্যোগ, স্বস্তি পানিবন্দী তিন শতাধিক পরিবারে

এইবাংলা অনলাইন
  • প্রকাশকালঃ রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬

বকশীগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি :

জামালপুরের বকশীগঞ্জ পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডে জলাবদ্ধতায় পানিবন্দী হয়ে পড়া প্রায় তিন শতাধিক পরিবারের দুর্ভোগ কমাতে উদ্যোগ নিয়েছেন পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম তালুকদার শাকিল।

রোববার (২৬ জুলাই) দুপুরে তিনি সরেজমিনে এলাকায় গিয়ে পানিবন্দী পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন। পরে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে নিজ উদ্যোগে ও ব্যক্তিগত অর্থায়নে মাটি কেটে অস্থায়ী ড্রেন নির্মাণের মাধ্যমে জমে থাকা পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করেন।

সাইফুল ইসলাম তালুকদার শাকিল বলেন, “পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে জলাবদ্ধতার কারণে চরম দুর্ভোগে রয়েছেন। আপাতত তাদের ভোগান্তি কমাতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এলাকা থেকে পানি সম্পূর্ণ নিষ্কাশন না হওয়া পর্যন্ত আমাদের কার্যক্রম চলবে।”

দৈনিক এই বাংলার সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বকশীগঞ্জ পৌর যুবদলের সদস্য সচিব তানজির আহাম্মেদ সুজন, পৌর মৎস্যজীবী দলের সভাপতি সুরুজ্জামান বাবু, পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক শাহীন আল মামুন, যুগ্ম আহ্বায়ক সিয়াম সিদ্দিকী, কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি আখিঁব মাহমুদ, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অপূর্ব সিয়ামসহ পৌর বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে জলাবদ্ধতার কারণে চলাচল ও দৈনন্দিন কাজে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছিল। তাৎক্ষণিকভাবে ড্রেন খনন করে পানি নিষ্কাশনের উদ্যোগে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ভুক্তভোগী বাসিন্দারা।

এই সম্পর্কিত আরো খবর

পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় চাকরি জীবনের শেষ কর্মদিবসে প্রধান শিক্ষক মো. মোছাদ্দেকুর রহমানকে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিদায় জানিয়েছেন শিক্ষার্থী, সহকর্মী ও এলাকাবাসী।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার ২৬ নম্বর কালিতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ বিদায় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। দীর্ঘ ৩৩ বছরের শিক্ষকতা জীবনের শেষ কর্মদিবসে প্রিয় শিক্ষককে বিদায় জানাতে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ সাজানো হয়।

অনুষ্ঠানে আলোচনা সভা ও সম্মাননা প্রদান শেষে মো. মোছাদ্দেকুর রহমানকে সুসজ্জিত গাড়িতে করে নিজ বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়। গাড়ির সামনে-পেছনে ছিলেন শিক্ষার্থী, সহকর্মী ও এলাকাবাসী। গাড়িতে ওঠার সময় তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো এবং ফুলের মালা পরিয়ে বিদায় জানানো হয়। এ সময় আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন বিদায়ী প্রধান শিক্ষক।

বিদায়কালে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে মো. মোছাদ্দেকুর রহমান বলেন, “আমি বিদায় নিচ্ছি, কিন্তু দোয়া রেখে গেলাম। তোমরা নিজেদের মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে তুলবে।”

বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা বলেন, বিদায় সবসময়ই কষ্টের। তবে একজন শিক্ষকের কর্মজীবনের শেষ দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে শিক্ষার্থী ও সহকর্মীরা এমন আয়োজন করেছেন। এতে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে শিক্ষকের দীর্ঘদিনের সম্পর্কও প্রতিফলিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বোদা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আজমল আজাদ বলেন, একজন শিক্ষক চাকরিজীবন শেষে বিদ্যালয় থেকে বাড়ি ফেরার সময় সন্তানতুল্য শিক্ষার্থীদের ছেড়ে যাওয়ার কষ্ট অনুভব করেন। মোছাদ্দেকুর রহমানের মতো প্রতিটি শিক্ষকের বিদায়ই স্মরণীয় হওয়া উচিত।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বোদা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আজমল আজাদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বোদা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ইন্সট্রাক্টর এ কে এম সারোয়ার জাহান আহমেদি, উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম, কালিয়াগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. ফজলার রহমান, সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুর রাজ্জাক, কালিয়াগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আব্দুল মোমিন এবং পঞ্চগড় সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মাহমুদুল হকসহ শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

এই বাংলা/এমএস

পঞ্চগড়ে প্রধান শিক্ষককে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিদায়