জাতীয় সংসদের হুইপ ও নাটোর-২ (সদর ও নলডাঙ্গা) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেছেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষায় এবং দেশকে পরাধীনতার হাত থেকে মুক্ত করতে যাঁদের অবদান রয়েছে, ইতিহাস থেকে তাঁদের নাম মুছে ফেলা বা অস্বীকার করার সুযোগ নেই। যার যতটুকু অবদান, সত্য ইতিহাসে তা তুলে ধরতে হবে।
তিনি বলেন, স্বাধীনতাযুদ্ধ ও সার্বভৌমত্বের প্রসঙ্গ এলে জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নাম যেমন আসে, তেমনি জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান—সব সম্প্রদায়ের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করার অবদানও অনস্বীকার্য। অতীতে বারবার ইতিহাস বিকৃত করা হয়েছে এবং শহীদ জিয়াউর রহমান ও বিএনপিকে ছোট করার চেষ্টা করা হয়েছে। ইতিহাস বিকৃতির মাধ্যমে জাতি হিসেবে নিজেদেরই ছোট করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
দুলু আরও বলেন, এম এ জি ওসমানী, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, মাওলানা ভাসানী কিংবা শেখ মুজিবুর রহমান—স্বাধীনতার ইতিহাসে দেশের মানুষের জন্য যাঁদের অবদান রয়েছে, তাঁরা সবাই সম্মানিত। তাঁরা আর প্রতিহিংসা ও আক্রমণের রাজনীতিতে ফিরে যেতে চান না। তারেক রহমানের নেতৃত্বে এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চান, যেখানে স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি নিশ্চিত হবে।
শনিবার (৭ নভেম্বর) বেলা ১১টার দিকে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে নাটোর জেলা বিএনপির কার্যালয়ের সামনে থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রা শেষে জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
এর আগে সকালে জেলা বিএনপির কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হয়। এ ছাড়া জেলা প্রশাসন আয়োজিত দিবসের বিভিন্ন কর্মসূচিতেও অংশ নেন বিএনপি নেতারা।
জেলা বিএনপির আয়োজনে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক রহিম নেওয়াজ, সদস্যসচিব আসাদুজ্জামান আসাদ, যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান শাহীন ও সাইফুল ইসলাম আফতাব, জেলা যুবদলের সভাপতি এ হাই তালুকদার ডালিমসহ বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
এই বাংলা/এমএস