মানিকগঞ্জের দৌলতপুরে মাদক, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসবিরোধী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (১ নভেম্বর) বিকেল ৩টায় উপজেলার কলিয়া পাবলিক উচ্চবিদ্যালয় মাঠে এ জনসভার আয়োজন করে কলিয়া ইউনিয়ন বিএনপি ও দলটির অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনগুলো। এতে বিপুলসংখ্যক স্থানীয় বাসিন্দা ও দলীয় নেতাকর্মী অংশ নেন।
এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির মতো অপরাধের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা সৃষ্টি ও সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে এ সভার আয়োজন করা হয়।
জনসভায় প্রধান অতিথি ছিলেন মানিকগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য এস এ জিন্নাহ কবীর। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন সাভার উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সভাপতি জামাল উদ্দিন সরকার।
কলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট বুলবুল আহমেদ গোলাপের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন জেলা যুবদলের আহ্বায়ক কাজী মোস্তাক আহমেদ দিপু, কেন্দ্রীয় যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. শফিকুল ইসলাম শফিক, উপজেলা বিএনপির সাবেক জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি আব্দুল মতিন মাস্টার, সংসদ সদস্য এস এ জিন্নাহ কবীরের মেয়ের জামাতা ব্যারিস্টার জাহিদুল করিম নয়ন এবং উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. আনিসুর রহমান আনিস।
সভা সঞ্চালনা করেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাবিবুল্লাহ নোমানী ও কলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. ছানোয়ার হোসেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য এস এ জিন্নাহ কবীর বলেন, মাদক, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি বন্ধ করা না গেলে এলাকার কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সম্ভব নয়। এসব অপরাধ উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের পথে বড় বাধা। তাই দলীয় নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে অপরাধগুলোর বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।
যুবসমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষায় তিনি মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে তরুণদের মাদক থেকে দূরে থেকে খেলাধুলা ও সুস্থ সাংস্কৃতিক চর্চায় মনোনিবেশ করার আহ্বান জানান।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের পর জনগণের আস্থার প্রতি সম্মান জানিয়ে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ করা এবং দুর্নীতিমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠায় তিনি কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
জনসভাটির সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও দৌলতপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সিরাজুল ইসলাম সিরাজ।
আয়োজকদের প্রত্যাশা, এ ধরনের উদ্যোগ এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির মতো অপরাধ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়াতে ভূমিকা রাখবে।
এই বাংলা/এমএস