বাগেরহাটের রামপালে জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে শেখ আহাদ আহমেদ ইতু হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত ১ ও ২ নম্বর আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। মামলা দায়েরের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে খুলনার ফুলতলা এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন রামপাল উপজেলার কিসমত চণ্ডিতলা গ্রামের জাফর শেখের ছেলে বাকী বিল্লাহ শেখ ও মাসুম বিল্লাহ শেখ।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২১ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে খুলনা জেলার ফুলতলা থানার লারিপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আইনি প্রক্রিয়ার জন্য তাদের রামপাল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মামলার এজাহার ও নিহতের পরিবারের অভিযোগ অনুযায়ী, শেখ আহাদের পরিবারের সঙ্গে অভিযুক্তদের মৎস্য ঘের ও বসতবাড়ির জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। ২১ সেপ্টেম্বর চণ্ডীতলা গ্রামে নিহতের বাবাকে গালাগাল ও তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করার প্রতিবাদ করতে গেলে শেখ আহাদ আহমেদ ইতুর ওপর হামলা করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় নিহতের ভাই শেখ রাহাত বাদী হয়ে রামপাল থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
গ্রেপ্তারের বিষয়ে এসআরবি-৬-এর মিডিয়া অফিসার সৈয়দ ফজলুর রহমান জানান, সদর কোম্পানির একটি আভিযানিক দল মামলার এজাহার বিশ্লেষণ ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আসামিদের অবস্থান শনাক্ত করে। পরে ফুলতলার লারিপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে বাকী বিল্লাহ শেখ ও মাসুম বিল্লাহ শেখকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, মামলার তদন্ত ও পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কি না, তা তদন্তের মাধ্যমে খতিয়ে দেখা হবে।
এই বাংলা/এমএস