রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৪২ অপরাহ্ন

অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের পুনঃনিয়োগে গুলিশাখালী ফাজিল মাদরাসায় বিক্ষোভ

বাগেরহাট প্রতিনিধি
  • প্রকাশকালঃ রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার গুলিশাখালী ফাজিল মাদরাসার অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এ. এ. বারী হাওলাদারকে পুনরায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়ার প্রতিবাদে ক্লাস বর্জন ও কুশপুত্তলিকা দাহ করেছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে মাদরাসা প্রাঙ্গণে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জন করে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। একপর্যায়ে শিক্ষার্থীরা মাদরাসা চত্বরে সাবেক অধ্যক্ষের কুশপুত্তলিকা দাহ করেন।

মাদরাসা সূত্রে জানা যায়, এ. এ. বারী হাওলাদার গত ২৯ জুলাই অবসরে যান। এরপর গত ২ সেপ্টেম্বর ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের স্বাক্ষরিত এক আদেশে তাকে এক বছরের জন্য বিনা বেতনে অধ্যক্ষ পদে পুনঃনিয়োগ দেওয়া হয়। এ আদেশের পর থেকেই মাদরাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়।

শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, দায়িত্ব পালনকালে সাবেক অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ ছিল। অবসরে যাওয়ার পরও তিনি দায়িত্ব হস্তান্তর না করে প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমে যুক্ত থাকার চেষ্টা করেন বলেও অভিযোগ তাদের। এর আগে তার কক্ষে তালা দেওয়ার ঘটনাও ঘটে।

মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ গাজী মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, এ. এ. বারী হাওলাদারের দায়িত্ব পালনকালে মাদরাসায় বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা তাকে পুনরায় অধ্যক্ষ হিসেবে মেনে নিতে রাজি নন। পুনঃনিয়োগের আদেশের কারণে মাদরাসায় অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।

তবে পুনঃনিয়োগের বিষয়ে এ. এ. বারী হাওলাদার বলেন, কর্তৃপক্ষ তাকে যোগ্য বিবেচনা করেই পুনঃনিয়োগ দিয়েছে। একটি স্বার্থান্বেষী মহল তাকে দায়িত্ব পালনে বাধা দিচ্ছে।

এদিকে, পুনঃনিয়োগের আদেশকে কেন্দ্র করে মাদরাসার স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের পর পরিস্থিতি নিয়ে মাদরাসা কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন তারা।

এই বাংলা/এমএস

এই সম্পর্কিত আরো খবর