নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে বিএনপি নেতা বিএম ডালিমকে ঘিরে একের পর এক মামলা ও অভিযোগ সামনে এসেছে। একটি পুরোনো হত্যা মামলায় আসামি হওয়ার পাশাপাশি সম্প্রতি তাকে চাঁদাবাজির একটি মামলায়ও গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। এর বাইরে এক নারীর পক্ষ থেকে বিয়ের দাবি ও প্রতারণার অভিযোগও উঠেছে তার বিরুদ্ধে। এসব ঘটনায় স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে তাকে নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে।
বিএম ডালিম সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপির সদস্য এবং কাঁচপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন বলে জানা গেছে। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক পরিচয়ের পাশাপাশি একাধিক মামলায় জড়িয়ে পড়ার ঘটনায় তার ভূমিকা নিয়েও স্থানীয় পর্যায়ে নানা প্রশ্ন উঠছে।
২০১৪ সালের ২৬ অক্টোবর কাঁচপুর এলাকায় লিটন নামে এক ব্যক্তি হত্যাকাণ্ডের শিকার হন। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে সোনারগাঁ থানায় মামলা করা হয়। মামলায় মোট ২৩ জনকে আসামি করা হয়েছে। আদালত ও পুলিশ সূত্রের বরাতে জানা গেছে, ওই মামলায় বিএম ডালিমকে ২ নম্বর আসামি করা হয়েছে।
মামলাটি বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন। দীর্ঘ সময় পর মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হলে বিএম ডালিম আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন।
গত ২৫ আগস্ট হত্যা মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন বিএম ডালিম। শুনানি শেষে আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পরে তাকে আরও একটি চাঁদাবাজির মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
এদিকে, এক নারীর পক্ষ থেকে বিএম ডালিমের বিরুদ্ধে বিয়ের দাবি ও প্রতারণার অভিযোগও সামনে এসেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এবং সংশ্লিষ্ট মামলার বর্তমান অবস্থার বিষয়ে আরও যাচাই প্রয়োজন।
বিএম ডালিমের বিরুদ্ধে থাকা মামলা ও অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য জানা সম্ভব হলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।
মামলাগুলো আদালতে বিচারাধীন থাকায় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আইনগতভাবে বিএম ডালিমকে দোষী বলা যাচ্ছে না। তবে পুরোনো হত্যা মামলায় আসামি হওয়া, নতুন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো এবং ব্যক্তিগত অভিযোগ সামনে আসায় স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে তাকে নিয়ে আলোচনা জোরালো হয়েছে।
এই বাংলা/এমএস