বাংলাদেশের খাদ্য ও রন্ধন ঐতিহ্যে মাছের বিশেষ গুরুত্ব তুলে ধরতে দেশব্যাপী আয়োজিত ‘বাংলাদেশ ফিশ রেসিপি প্রতিযোগিতা সিজন-২’-এর একটি বিভাগীয় পর্ব নাটোরের নলডাঙ্গায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নলডাঙ্গা উপজেলার পাটুল হোটেল ওয়েলসে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। ‘উইমেন’স কুলিনারি অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’ (WCAB) ও ‘স্ট্যান্ডার্ড ইনস্টিটিউট অব কুলিনারি আর্টস’ (SICA)-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত প্রতিযোগিতাটির পৃষ্ঠপোষকতায় রয়েছে ‘শেফস চয়েস—নিউজিল্যান্ড ডেইরি, বাংলাদেশ’। এবারের আয়োজনের প্রতিপাদ্য ‘শেফস চয়েস—মাছে মাছে বাঙালিয়ানা’।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উইমেন’স কুলিনারি অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক কল্পনা তাহমান, ক্রিস্টাল গ্রেইনস লিমিটেডের বিজনেস হেড মাসুম খান এবং সংগঠনটির সভাপতি নাজমা হুদা।
আয়োজকরা জানান, দেশের আটটি বিভাগের গৃহরাঁধুনি, ভোজনরসিক ও পেশাদার রন্ধনশিল্পীদের অংশগ্রহণে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। মাছকে প্রধান উপকরণ হিসেবে ব্যবহার করে ‘শেফস চয়েস’-এর ডেইরি পণ্য দিয়ে সৃজনশীল ও বৈচিত্র্যময় রেসিপি তৈরির মাধ্যমে প্রতিযোগীরা অংশ নেবেন।
প্রতিযোগিতার প্রথম ধাপে দেশের আটটি বিভাগে বিভাগীয় পর্ব অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিটি বিভাগ থেকে তিনজন করে মোট ২৪ জন প্রতিযোগী সেমিফাইনালে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন। সেমিফাইনাল থেকে নির্বাচিত ১২ জন প্রতিযোগী ঢাকার SICA ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিতব্য গ্র্যান্ড ফিনালেতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। সেখান থেকে সেরা তিনজনকে জাতীয় চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করা হবে।
আয়োজক সূত্রে জানা যায়, প্রতিযোগিতায় তিন সদস্যের বিচারক প্যানেল থাকবে। এতে ঢাকা থেকে একজন এবং দেশের অন্যান্য অঞ্চল থেকে দুজন রন্ধন বিশেষজ্ঞ বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। সারাদেশ থেকে পাঁচ শতাধিক গৃহরাঁধুনি এ প্রতিযোগিতায় অংশ নেবেন বলে প্রত্যাশা করছেন আয়োজকরা। পাশাপাশি ডিজিটাল ও প্রিন্ট মাধ্যম এবং সরাসরি প্রচারণার মাধ্যমে দর্শক সম্পৃক্ততা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
আয়োজকদের মতে, এ আয়োজনের মাধ্যমে দেশের ঐতিহ্যবাহী মাছের রেসিপিগুলোকে নতুন আঙ্গিকে উপস্থাপনের পাশাপাশি ‘শেফস চয়েস’ পণ্য ব্যবহার করে তৈরি উদ্ভাবনী রেসিপির একটি সমৃদ্ধ সংগ্রহ গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।
এই বাংলা/এমএস