বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

বকশীগঞ্জে সাংবাদিকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ, তদন্ত করবে ভূমি প্রশাসন

এইবাংলা অনলাইন
  • প্রকাশকালঃ বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার মেরুরচর ইউনিয়ন ভূমি কার্যালয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে অসৌজন্যমূলক আচরণের শিকার হওয়ার অভিযোগ করেছেন তিন সাংবাদিক। তাঁদের অভিযোগ, পরিচয় দিয়ে তথ্য জানতে চাইলে প্রয়োজনীয় তথ্য দেওয়ার পরিবর্তে তাঁদের ভিডিও করেন কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম। এ ঘটনায় তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন বকশীগঞ্জের সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসমা উল হুসনা।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে মেরুরচর ইউনিয়ন ভূমি কার্যালয়ে সরেজমিনে তথ্য সংগ্রহ করতে যান দৈনিক ডেসটিনি পত্রিকার বকশীগঞ্জ প্রতিনিধি তাহের শেখ, দৈনিক বাংলাদেশ সমাচারের প্রতিনিধি মারুফ হাসান এবং দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিনের বকশীগঞ্জ প্রতিনিধি মো. আমিনুল ইসলাম।

সাংবাদিকদের ভাষ্য অনুযায়ী, তাঁরা কার্যালয়ে গিয়ে ভারপ্রাপ্ত ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা শফিকুল ইসলামের পরিচয় ও দায়িত্ব সম্পর্কে জানতে চান। এ সময় ওই কর্মকর্তা উত্তেজিত হয়ে তাঁদের সঙ্গে মারমুখী আচরণ করেন বলে অভিযোগ করেন তাঁরা। তাঁদের দাবি, পেশাগত দায়িত্বের অংশ হিসেবে তথ্য জানতে গেলেও কাঙ্ক্ষিত সহযোগিতা পাননি; বরং কর্মকর্তা তাঁদের ভিডিও করেন।

সাংবাদিকরা জানান, সরকারি দপ্তরের কার্যক্রম ও সেবার পরিবেশ সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করতেই তাঁরা সেখানে গিয়েছিলেন। তাঁদের অভিযোগ, তথ্য জানতে গিয়ে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়ায় সরকারি কার্যালয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে সহযোগিতা ও সৌজন্যপূর্ণ আচরণের বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

এদিকে, সাংবাদিকদের ভাষ্য অনুযায়ী, সরেজমিনে পরিদর্শনের সময় কার্যালয়ে বিদ্যুৎ ছিল না এবং আইপিএস বন্ধ দেখা যায়। ওই সময় দাপ্তরিক কার্যক্রম চলতে দেখা যায়নি বলেও তাঁরা জানান। তবে কার্যালয়ে জেনারেটর ছিল বলে উল্লেখ করেন সাংবাদিকরা। পরে তাঁদের উপস্থিতিতে একজন সেবাগ্রহীতাকে সেবা দেওয়া হয়। এ পরিস্থিতিতে কার্যালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রম ও সেবা নিতে আসা মানুষের ভোগান্তি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

এ ছাড়া কার্যালয়ের অনার বোর্ডটি সিঁড়ির নিচে পড়ে থাকতে দেখা গেছে বলে জানান সাংবাদিকরা।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে মেরুরচর ইউনিয়ন ভূমি কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা শফিকুল ইসলামের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। ফলে এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

বকশীগঞ্জের সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসমা উল হুসনা বলেন, “তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এই বাংলা/এমএস

এই সম্পর্কিত আরো খবর