শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

ঈশ্বরদীতে সড়ক নির্মাণকাজ পরিদর্শনে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী

ইশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি
  • প্রকাশকালঃ শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬

পাবনার ঈশ্বরদীতে সড়ক নির্মাণকাজের গুণগত মান, পুরুত্ব ও বিটুমিনের ব্যবহার সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) পাবনার নির্বাহী প্রকৌশলী মনিরুল ইসলাম। পরিদর্শনকালে নির্মাণকাজের বিভিন্ন দিক পর্যবেক্ষণ করেন তিনি। এদিকে, সড়কের কাজের অগ্রগতি ও মান নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মা এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী রফিকুল ইসলাম নয়নের তত্ত্বাবধানে সড়কটির নির্মাণকাজ চলছে।

পরিদর্শনকালে সড়কের পুরুত্ব, বিটুমিনের ব্যবহারসহ নির্মাণকাজের বিভিন্ন বিষয় পর্যবেক্ষণ করা হয়। এ সময় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা কাজের গুণগত মান ও নির্ধারিত পরিমাপ যাচাই করেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সড়কটির নির্মাণকাজ সুন্দরভাবে এগিয়ে চলছে। কাজের মান নিয়েও তাঁরা সন্তুষ্ট। তাঁদের প্রত্যাশা, নির্ধারিত মান বজায় রেখে নির্মাণকাজ শেষ হলে দীর্ঘদিন সড়কটি ব্যবহার করা যাবে এবং যাতায়াতের দুর্ভোগ কমবে।

এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মনিরুল ইসলাম বলেন, দাশুড়িয়ার একটি পরিত্যক্ত স্থানে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের সরকারি ইয়ার্ড হিসেবে বিভিন্ন নির্মাণসামগ্রী রাখা ও মিশ্রণের কাজ করা হয়। বিভিন্ন স্থানে সড়ক নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ সেখানে প্রস্তুত করা হয়।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আমরা যখনই মাঠপর্যায়ে কাজ করতে যাই, তখন স্থানীয় জনসাধারণকে কাজের বিষয়ে বুঝিয়ে বলি। এতে তাঁরা কাজের গুরুত্ব বুঝতে পারেন এবং নির্মাণকাজে সহযোগিতা করেন। স্থানীয় মানুষের সহযোগিতা থাকলে কাজের মান বজায় রাখা ও সুন্দরভাবে কাজ সম্পন্ন করা সহজ হয়।”

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মা এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী রফিকুল ইসলাম নয়ন বলেন, সরকারি ছুটির দিনেও ঈশ্বরদীর সাধারণ মানুষের সুবিধার কথা বিবেচনা করে তাঁরা কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। সড়কের পুরুত্ব নির্ধারিত মাপ অনুযায়ী রাখা হচ্ছে। পরিদর্শনেও সড়কের পরিমাপ সঠিক পাওয়া গেছে বলে তিনি দাবি করেন।

তিনি আরও বলেন, সাহাপুর ইউনিয়নের গোলত্বর এলাকায় রাজা সরদারের বাড়ি থেকে মিজান সরদারের বাড়ি পর্যন্ত ৬৭০ মিটার সড়কের কার্পেটিংয়ের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। নির্মাণকাজে গুণগত মান বজায় রাখাকে তাঁরা গুরুত্ব দিচ্ছেন। স্থানীয় মানুষের চলাচল নির্বিঘ্ন করা এবং তাঁদের প্রত্যাশা অনুযায়ী কাজ সম্পন্ন করাই তাঁদের লক্ষ্য।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, সড়ক নির্মাণে গুণগত মান নিশ্চিত করা, নির্ধারিত পুরুত্ব বজায় রাখা এবং নির্মাণসামগ্রীর যথাযথ ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত তদারকি ও স্থানীয় মানুষের সহযোগিতার মাধ্যমে কাজটি মানসম্মতভাবে সম্পন্ন হবে বলে তাঁরা আশা প্রকাশ করেন।

এই বাংলা/এমএস

এই সম্পর্কিত আরো খবর