বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নোংরা পরিবেশে রোগীদের দুর্ভোগ চরমে

এইবাংলা অনলাইন
  • প্রকাশকালঃ বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২৫
ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যা হাসপাতালে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ / ছবি - সংগৃহীত

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি :

ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে রোগী ও স্বজনদের ভোগান্তি উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। হাসপাতালজুড়ে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, করিডোরে ময়লা-আবর্জনা, নষ্ট বেসিন এবং ব্যবহার অনুপযোগী বাথরুম—সব মিলিয়ে চিকিৎসাসেবা নিতে আসা মানুষজন পড়েছেন চরম দুর্ভোগে।

দৈনিক এই বাংলার সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন

হাসপাতাল ঘুরে দেখা যায়, বেশিরভাগ বেসিনে পানি সরবরাহ নেই, আবার কোথাও পাইপ লিক করায় চারদিকে পানি ছড়িয়ে থাকে। বাথরুমের দরজা ভাঙা, পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা অকার্যকর এবং যথাযথ পরিষ্কার না হওয়ায় তীব্র দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছে। এই পরিস্থিতি রোগী ও তাদের স্বজনদের জন্য বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করেছে।

অনেক রোগীর স্বজন অভিযোগ করে বলেন, “বাথরুমে ঢোকাই কঠিন, বেসিনে পানি পাওয়া যায় না। প্রতিদিনই একই সমস্যায় পড়তে হয়।”

সেবা প্রত্যাশীরা জানান, তদারকি না থাকায় পরিস্থিতি দিন দিন আরও খারাপ হচ্ছে। দ্রুত সংস্কার, প্রয়োজনীয় মেরামত এবং পরিচ্ছন্নতা বাড়ানোর দাবি জানান তারা।

হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. রতন কুমার ঢালী দৈনিক জনকণ্ঠকে বলেন, “পর্যাপ্ত পরিচ্ছন্নতা কর্মী না থাকায় এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। আমাদের প্রয়োজন প্রায় ১৫০ জন কর্মী, কিন্তু আছে মাত্র অল্প কয়েকজন। ২০ শয্যার ওয়ার্ডে ৮০ জন রোগী ভর্তি থাকে, তবুও আমরা কাউকে ফিরিয়ে দেই না—সাধ্যমতো চিকিৎসা দেওয়ার চেষ্টা করি।”

এই বাংলা/এমএস

টপিক

এই সম্পর্কিত আরো খবর

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে দেশের চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত জারি করা হয়েছে। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, গভীর নিম্নচাপটি বুধবার সকাল ৬টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৯০০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার থেকে ৮৮০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা থেকে ৭২০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৭৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল।

গভীর নিম্নচাপটি আরও পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে বুধবার রাতে ভারতের উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ ও দক্ষিণ ওড়িশা উপকূল অতিক্রম করতে পারে। এর প্রভাবে সমুদ্রবন্দর, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গভীর নিম্নচাপের কেন্দ্রের ৪৮ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৫০ কিলোমিটার। দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে এ গতিবেগ ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। কেন্দ্রের কাছাকাছি এলাকায় সাগর উত্তাল রয়েছে।

এ অবস্থায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে দেশের বিভিন্ন এলাকায় দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিও হতে পারে।

এই বাংলা/এমএস

বঙ্গোপসাগরে গভীর নিম্নচাপ, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত