মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

বকশীগঞ্জে ২ কোটি ৮৮ লাখ টাকার সড়কের কাজ অসমাপ্ত, দুর্ভোগে এলাকাবাসী

বকশীগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি
  • প্রকাশকালঃ মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬

জামালপুরের বকশীগঞ্জ পৌরসভার বাসস্ট্যান্ডের বটতলা থেকে পুরাতন গরুহাটি হয়ে জব্বারগঞ্জ বাজার পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সড়কটির সংস্কারকাজ দীর্ঘদিন ধরে অসমাপ্ত পড়ে আছে। প্রায় ২ কোটি ৮৮ লাখ ৯৪ হাজার টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন সড়কটির কাজ শেষ না হওয়ায় চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন এলাকাবাসী ও পথচারীরা। একাধিক গণমাধ্যমে এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হলেও কাজ শেষ না হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে।

প্রায় ৪ দশমিক ৯ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কটি এলাকার মানুষের যাতায়াতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু নির্মাণকাজ অসমাপ্ত থাকায় প্রতিদিনই ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীদের। দ্রুত কাজ শেষ করে সড়কটি চলাচলের উপযোগী করার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নির্মাণকাজে অনিয়মের অভিযোগ তুলে একপর্যায়ে স্থানীয় বাসিন্দারা কাজ বন্ধের দাবি জানান। পরে তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহ জহুরুল হক নিম্নমানের কাজের বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে সতর্ক করেন। তবে এরপর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও সড়কটির নির্মাণকাজ শেষ হয়নি। এতে জনদুর্ভোগও কমেনি।

স্থানীয় বাসিন্দা নাছির বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির কাজ অসমাপ্ত থাকায় আমাদের চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। দ্রুত কাজ শেষ করে সড়কটি চলাচলের উপযোগী করার দাবি জানাই।”

আরেক বাসিন্দা আরমান বলেন, “গণমাধ্যমে একাধিকবার সংবাদ প্রকাশের পরও সড়কের কাজ শেষ হয়নি। দ্রুত নতুন দরপত্র আহ্বান করে কাজ শুরু এবং মানসম্মত নির্মাণ নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছি।”

সড়কটির নির্মাণকাজের ধীরগতি ও দীর্ঘদিন ধরে অসমাপ্ত পড়ে থাকার বিষয়টি বিভিন্ন গণমাধ্যমে উঠে এসেছে। এরপরও কাজ শেষ না হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা রয়েছে। তাঁদের প্রত্যাশা, দ্রুত নতুন দরপত্র আহ্বান করে নির্মাণকাজ শুরু করা হবে এবং নির্মাণের মান নিশ্চিত করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সড়কটির কাজ শেষ করা হবে।

এ বিষয়ে জামালপুর স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ রমজান আলী বলেন, “ওই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে বাদ দেওয়া হয়েছে। অতি দ্রুত নতুন দরপত্র আহ্বান করা হবে এবং কাজ সম্পন্ন করা হবে।”

তবে নতুন দরপত্র আহ্বান ও নির্মাণকাজ শুরুর নির্দিষ্ট সময় সম্পর্কে তিনি বিস্তারিত জানাননি। ফলে সড়কটির কাজ কবে শেষ হবে, তা নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা রয়েছে।

এই বাংলা/এমএস

এই সম্পর্কিত আরো খবর