বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

নীলফামারী-২ আসনে ধানের শীষের পক্ষে বাড়ছে দলমত–ঊর্ধ্ব ঐক্য

এইবাংলা অনলাইন
  • প্রকাশকালঃ সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
নীলফামারী-২ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী প্রকৌশলী শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিন / ছবি - এই বাংলা

নীলফামারী প্রতিনিধি :


আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নীলফামারী-২ (সদর) আসনে নির্বাচনী মাঠে ভিন্নধর্মী চিত্র দেখা যাচ্ছে। দলীয় পরিচয়ের বাইরে এসে জেলার সার্বিক উন্নয়নকে প্রাধান্য দিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিরা বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী প্রকৌশলী শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিনের পক্ষে একত্রিত হয়ে মাঠে কাজ করছেন।

নির্বাচনী প্রচারণা শুরুর পর থেকেই ধীরে ধীরে এই সমর্থনের পরিধি বিস্তৃত হচ্ছে। বিশেষ করে জেলা জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক সমর্থন ঘোষণার পর নির্বাচনী মাঠে নতুন গতি লক্ষ করা যাচ্ছে। জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক এ কে এম সাজ্জাদ পারভেজ বলেন, নীলফামারীর উন্নয়ন ও জনস্বার্থ বিবেচনা করেই তারা ধানের শীষের প্রার্থীর পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। তিনি দলের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে কাজ করার আহ্বান জানান।

স্থানীয় পর্যায় থেকেও সমর্থনের ধারা জোরালো হচ্ছে। ইটাখোলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হেদায়েত আলী শাহ ফকির বিএনপিতে যোগ দিয়ে ধানের শীষের পক্ষে কাজ করার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি জানান, এলাকার উন্নয়ন ও সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা পূরণের লক্ষ্যেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এবং নির্বাচনে বিজয় নিশ্চিত করতে সক্রিয় ভূমিকা রাখবেন।

দৈনিক এই বাংলার সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন

এ ছাড়া বিভিন্ন ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাও ধানের শীষের পক্ষে মাঠে নামছেন বলে জানা গেছে। স্থানীয়ভাবে সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রচারণা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

জেলা বিএনপির সদস্য সচিব এএইচএম সাইফুল্লাহ রুবেল বলেন, নীলফামারীর উন্নয়ন ও গণমানুষের স্বার্থে ভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শের মানুষও এখন ধানের শীষের প্রার্থীর পক্ষে একত্রিত হচ্ছেন। জাতীয় পার্টিসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের এই সমর্থন নির্বাচনী মাঠে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

স্থানীয়দের মতে, দলীয় সীমারেখার বাইরে গিয়ে উন্নয়নকেন্দ্রিক এই ঐক্য নির্বাচনী মাঠে নতুন সমীকরণ তৈরি করেছে। নির্বাচনের সময় যত ঘনিয়ে আসছে, ততই এই সমর্থনের পরিধি আরও বাড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এই বাংলা/এমএস

টপিক 

এই সম্পর্কিত আরো খবর