কুড়িগ্রামে দীর্ঘ সময়ের বিদ্যুৎ বিভ্রাটের প্রতিবাদে নেসকো কার্যালয়ে গিয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছেন জাতীয় ছাত্রশক্তির নেতাকর্মীরা। এ সময় তারা শহর ও ইউনিয়ন পর্যায়ে বিদ্যুৎ সরবরাহের বৈষম্য এবং দীর্ঘ সময়ের লোডশেডিং নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।
জাতীয় ছাত্রশক্তির নেতাকর্মীদের দাবি, কুড়িগ্রাম শহরে প্রায় ১৫ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকলেও ইউনিয়ন পর্যায়ে পরিস্থিতি ভিন্ন। দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় গ্রামাঞ্চলের সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন বলেও তারা অভিযোগ করেন।
তাদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে নেসকো কর্মকর্তারা জানান, ইউনিয়ন পর্যায়ের বিদ্যুৎ সরবরাহ স্থানীয় কার্যালয়ের একক নিয়ন্ত্রণে নয়। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী তারা দায়িত্ব পালন করেন। ফলে বিদ্যুৎ সরবরাহের বিষয়ে স্থানীয় কর্মকর্তাদের সরাসরি সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা সীমিত।
নেসকো কর্মকর্তারা আরও জানান, বিদ্যুৎ সংকট ও সরবরাহ ব্যবস্থাপনার বিষয়টি ইতোমধ্যে জাতীয় পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে রয়েছে। স্থানীয় পর্যায়ের কর্মকর্তাদের পক্ষে সব সমস্যার সমাধান করা সম্ভব নয়।
এ সময় জাতীয় ছাত্রশক্তির নেতাকর্মীরা বলেন, বিদ্যুৎ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সেবা। দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ীরা ভোগান্তিতে পড়ছেন। দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান তারা।
এই বাংলা/এমএস