নাটোরের বড়াইগ্রামে নিখোঁজের পাঁচ দিন পর শফিকুল ইসলাম (৩৮) নামে এক পরিবহন শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার সকালে উপজেলার বনপাড়া পৌরসভার কালিকাপুর গুচ্ছগ্রামের একটি নির্মাণাধীন বাড়ি থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত শফিকুল ওই এলাকার শহীদুল ইসলামের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১ অক্টোবর থেকে নিখোঁজ ছিলেন শফিকুল ইসলাম। মঙ্গলবার সকালে নির্মাণাধীন বাড়ি থেকে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা সেখানে গিয়ে ঘরের ভেতর তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ নাটোর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
নিহতের পরিবারের দাবি, শফিকুলকে হত্যা করা হয়েছে। তবে স্থানীয় কয়েকজনের ভাষ্য, তিনি মাদক সেবন ও বিক্রির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তাদের ধারণা, মাদক সেবনের সময় কোনো কারণে তার মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। তবে এসব দাবির কোনোটিই এখনো নিশ্চিত নয় এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণও জানা যায়নি।
বড়াইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম জানান, নিহতের শরীরে দৃশ্যমান কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
এই বাংলা/এমএস