নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে মেঘনা নদীতে ট্রলারডুবির ঘটনায় নিখোঁজের চারদিন পর হেলালউদ্দিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর আগে তাঁর তিন সন্তান সজীব, সামিয়া ও সামিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মেঘনা নদীর শাখা মারিখালী নদীর রতনপুর ব্রিজ এলাকা থেকে ভাসমান অবস্থায় হেলালউদ্দিনের মরদেহ উদ্ধার করে সোনারগাঁ ফায়ার সার্ভিস ও বৈদ্যেরবাজার নৌ-ফাঁড়ি পুলিশ। পরে পরিবারের সদস্যরা মরদেহটি শনাক্ত করেন।
বৈদ্যেরবাজার নৌ-ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক শাহ কামাল বলেন, হেলালউদ্দিনের মরদেহ উদ্ধারের মধ্য দিয়ে ট্রলারডুবির ঘটনায় নিখোঁজ চারজনের উদ্ধার অভিযান শেষ হয়েছে।
এর আগে শনিবার সকালে বৈদ্যেরবাজার এলাকার আল মোস্তফা ফ্যাক্টরির সামনে নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় সজীব, সামিয়া ও সামিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এর আগে ঘটনার দিন বৃহস্পতিবার বিকেলে সোনাময়ী এলাকায় ঝড়ের কবলে পড়ে ট্রলারটি ডুবে যায়। এ ঘটনায় পরে রায়েশা বেগমের মরদেহও উদ্ধার করা হয়েছিল।
সোনারগাঁ ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার জাহেদ চৌধুরী বলেন, নিখোঁজদের উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ও নৌ-পুলিশ অভিযান চালিয়ে আসছিল। সোমবার হেলালউদ্দিনের মরদেহ উদ্ধারের পর অভিযান শেষ করা হয়েছে।
হেলালউদ্দিনের বোনজামাই মোক্তার হোসেন বলেন, পুলিশের কাছ থেকে মরদেহ গ্রহণ করা হয়েছে। দাফনের জন্য মরদেহটি কুমিল্লার হোমনা উপজেলার শ্রীমুদ্দি গ্রামের বাড়িতে নেওয়া হচ্ছে।
এই বাংলা/এমএস