সততা, আন্তরিকতা ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে আগামী দিনের টেকসই ও নিরাপদ বাংলাদেশ বিনির্মাণে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে নবীন পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির বিপিএম।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর ২০২৬) সকালে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের ‘হল অব ইন্টেগ্রিটি’তে ৪৩তম বিসিএস (পুলিশ) ব্যাচের সহকারী পুলিশ সুপারদের (এএসপি) যোগদানপূর্ব দিকনির্দেশনামূলক ব্রিফিংয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
আইজিপি বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনের পর নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকার জনআকাঙ্ক্ষাকে সামনে রেখে কাজ করছে। বর্তমান বাস্তবতায় পুলিশকে নতুন পথরেখা তৈরি করতে হয়েছে, যেখানে জনপ্রত্যাশা এবং মানবাধিকারসহ নারী, শিশু ও বয়স্কদের অধিকারের প্রতি সংবেদনশীলতার বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে।
নবীন কর্মকর্তাদের পুলিশ বাহিনীর একজন ‘অ্যাম্বাসেডর’ হিসেবে জনগণের পাশে দাঁড়ানোর নির্দেশ দিয়ে পুলিশ প্রধান বলেন, ৫ আগস্টের গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সমাজ ও রাষ্ট্রের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে পুলিশকে আস্থার প্রতীকে পরিণত হতে হবে।
নবীন কর্মকর্তাদের ভবিষ্যৎ পুলিশ লিডার হিসেবে উল্লেখ করে আইজিপি আরও বলেন, আইন ও বিধিবিধানকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষতা ও পেশাদারত্ব বজায় রেখে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত আইজি (প্রশাসন) এ কে এম আওলাদ হোসেনের সভাপতিত্বে অতিরিক্ত আইজি মো. আকরাম হোসেন, খোন্দকার রফিকুল ইসলাম, সরদার নূরুল আমিন, মো. মুশফেকুর রহমান, মো. সায়েদুর রহমান, সাইবার পুলিশ ইউনিটের প্রধান মো. ইকবাল হোসেনসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ডিআইজি (প্রশাসন) মো. হুমায়ুন কবীর।
এ সময় নবীন কর্মকর্তাদের কয়েকজন মাঠপর্যায়ের প্রশিক্ষণের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। পাশাপাশি জনগণের আস্থা অর্জনে দায়িত্বশীলভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তারা।
উল্লেখ্য, ৪৩তম বিসিএস (পুলিশ) ব্যাচে ৬৬ জন পুরুষ ও ৬ জন নারীসহ মোট ৭২ জন কর্মকর্তা সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেছেন।
এই বাংলা/এমএস