গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ এলাকা মাওনা ফ্লাইওভারের নিচে দিনের বেলায় সারি সারি ভাসমান বেঞ্চ-চৌকি ও অস্থায়ী দোকান বসতে দেখা যায়। দিনের আলোয় এসব স্থানে চলে নানা ধরনের ব্যবসা। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, রাত গভীর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এসব অস্থায়ী স্থাপনার কিছু জায়গা অপরাধীদের আড্ডাস্থলে পরিণত হয়।
স্থানীয়দের দাবি, সন্ধ্যার পর ফ্লাইওভারের নিচের কয়েকটি অংশে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা না থাকায় অন্ধকার ও নির্জন পরিবেশ তৈরি হয়। এ সুযোগে সেখানে মাদক সেবনসহ বিভিন্ন অসামাজিক কর্মকাণ্ড চলে বলে অভিযোগ রয়েছে।
কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা জানান, দিনের বেলায় ব্যবসার কাজে ব্যবহৃত বেঞ্চ-চৌকি ও অস্থায়ী দোকানগুলোর কিছু অংশে রাত হলে অপরিচিত লোকজনের আনাগোনা বেড়ে যায়। তাদের অভিযোগ, এসব স্থানে মাদক সেবন ও পতিতাবৃত্তিসহ বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ডও চলে।
তবে স্থানীয়দের অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই এবং নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি বাড়ানো প্রয়োজন বলে মনে করছেন তারা।
এলাকাবাসীর প্রশ্ন, জনগণের চলাচলের গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থানে দিনের বেলায় স্থাপিত এসব ভাসমান দোকান ও বেঞ্চ-চৌকি রাতে কীভাবে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সুযোগ তৈরি করছে? এসব স্থাপনা বসানোর অনুমতি রয়েছে কি না এবং রাতে সেখানে কী ধরনের কর্মকাণ্ড চলছে, তা খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন তারা।
স্থানীয়দের মতে, নিয়মিত পুলিশি টহল জোরদার, পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা এবং অবৈধ স্থাপনার বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হলে মাওনা ফ্লাইওভারের নিচের পরিবেশ অনেকটাই নিরাপদ করা সম্ভব।
এই বাংলা/এমএস