রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৩৪ পূর্বাহ্ন

জনগণের পুলিশ হতে চাই, নিপীড়ক নয়: সিএমপি কমিশনার

এইবাংলা অনলাইন
  • প্রকাশকালঃ শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৬

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি :

“আমরা জনগণের পুলিশ হতে চাই, নিপীড়ক হিসেবে পরিচিত হতে চাই না। পুলিশের সেবায় নাগরিকরা সন্তুষ্ট কি না—সেটাই আমাদের কাজের প্রধান মাপকাঠি।”

শনিবার (২৫ জুলাই) সকালে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে সাংবাদিকদের সাথে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী।

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচি-র সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ-এর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে দৈনিক আজাদীর সম্পাদক এম এ মালেক উপস্থিত ছিলেন। স্বাগত বক্তব্য দেন প্রেস ক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক মিয়া মো. আরিফ এবং শুরুতে কোরআন তেলাওয়াত করেন মাহবুব মাওলা রিপন।

সিএমপি কমিশনার বলেন, সামাজিক শৃঙ্খলা ও আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে সাধারণ মানুষের সম্পৃক্ততা অত্যন্ত জরুরি। জনগণের আস্থা অর্জন ও তাদের সাথে সুসম্পর্ক বৃদ্ধির মাধ্যমেই একটি কার্যকর পুলিশিং ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব।

তিনি আরও বলেন: “জুলাই বিপ্লব-পরবর্তী সময়ে সাধারণ মানুষের সাথে পুলিশের সম্পর্কের পরিবর্তন এসেছে। আমরা সিএমপির পক্ষ থেকে জনগণের প্রকৃত সেবক হয়ে কাজ করতে চাই। এছাড়া সাংবাদিকরা সমাজের দর্পণ; তাদের প্রতিবেদনে পুলিশের কোনো ত্রুটি উঠে এলে তা নেতিবাচকভাবে না দেখে বরং সংশোধন ও অনুধাবনের সুযোগ হিসেবে নিতে হবে।”

এম এ মালেক (সম্পাদক, দৈনিক আজাদী): “পুলিশ ও সাংবাদিক একে অপরের পরিপূরক। সঠিক ও সত্যনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করলে পেশাগত বিভাজন থাকে না। ৭০ লাখ নগরবাসীর সুরক্ষায় মাত্র ১২শ পুলিশের পক্ষে সব তথ্য রাখা কঠিন; তাই নাগরিক ও সাংবাদিকদের তথ্যের মাধ্যমে পুলিশকে সহায়তা করা উচিত।”

জাহিদুল করিম কচি (সভাপতি, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব): “একটি কল্যাণ রাষ্ট্র গঠনে পুলিশ ও সাংবাদিক উভয়ই দিনরাত কাজ করেন। বিগত সাড়ে ১৫ বছরের ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের পর চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবেও পরিবর্তন এসেছে। নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে পুলিশ ও সাংবাদিক কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করবে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।”

দৈনিক এই বাংলার সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন

সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে বক্তব্য ও উপস্থিতিতে ছিলেন: কমনওয়েলথ জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশনের (সিজেএ) বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের সাধারণ সম্পাদক ওসমান গণি মনসুর, প্রেস ক্লাবের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা মইনুদ্দীন কাদেরী শওকত, কাজী আবুল মনসুর, সিনিয়র সহ-সভাপতি মুস্তফা নঈম, সিএমইউজে-র সালেহ নোমান, অর্থ সম্পাদক আবুল হাসনাত, সমাজসেবা সম্পাদক হাসান মুকুল, কার্যকরী সদস্য ওয়াহিদ জামান, সাইফুল ইসলাম শিল্পী, মনিরুল ইসলাম পারভেজ, ফারুক মুনির, মোহাম্মদ আলী, রুবেল খান, মো. শহীদুল ইসলাম, ফারুক আবদুল্লাহ এবং রফিকুল ইসলাম সেলিম।

সিএমপির পক্ষে বক্তব্য ও উপস্থিতিতে ছিলেন: অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন ও অর্থ) ওয়াহিদুল হক চৌধুরী, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) মুহাম্মদ ফয়সাল আহম্মেদ, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) হোসাইন মোহাম্মদ কবির ভুইয়া, ডিসি (দক্ষিণ) মো. হাবিবুর রহমান এবং কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদ নূর।

এছাড়াও সিএমপির বিভিন্ন বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) ও অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনারদের (এডিসি) মধ্যে নেছার উদ্দীন আহমেদ, নিষ্কৃতি চাকমা, মোহাম্মদ লিয়াকত আলী খান, মো. রইছ উদ্দিন, কবীর আহম্মেদ, মো. গোলাম রুহুল কুদ্দুস, মো. আলমগীর হোসেন, মো. আমিরুল ইসলাম, মো. হাসান মোস্তফা স্বপন, মোহাম্মদ হাসান ইকবাল চৌধুরী, মোহাম্মদ বদিউজ্জামান, শ্রীমা চাকমা এবং এসি আমিনুর রশিদ উপস্থিত ছিলেন।

এই বাংলা/এমএস

টপিক

এই সম্পর্কিত আরো খবর