বরিশাল ব্যুরো :
সারাদেশের মতো বরিশালেও তীব্র গ্যাস সংকট সৃষ্টি হয়েছে। পাইপলাইনের স্বল্পচাপ এবং বাজারে এলপিজি সিলিন্ডারের অতিরিক্ত মূল্যবৃদ্ধির কারণে জনজীবন স্থবির হয়ে পড়েছে। দ্রুত সমাধান না হলে শহরের শিল্প, বাণিজ্য ও পরিবহন খাতে প্রায় ৫০ হাজারের বেশি মানুষ কর্মহীন হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছেন।
বরিশাল বিসিক শিল্প নগরীর অনেক কারখানার উৎপাদন ক্ষমতা ৫০ শতাংশের নিচে নেমে গেছে। শ্রমিকরা আতঙ্কিত, অনেক মালিক লোকসানের কারণে কর্মী ছাঁটাইয়ের কথা ভাবছেন। এক শ্রমিক বলেন, “মেশিন না চললে মালিক বেতন দেবেন কিভাবে? সংসার চালানো এখন সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তা।”
দৈনিক এই বাংলার সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন
বাজারে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডার ১,৭০০ থেকে ২,১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যেখানে সরকার নির্ধারিত মূল্য কম। গৃহিণীরা অভিযোগ করছেন, পাইপলাইনের গ্যাস না থাকায় রান্না করা কঠিন হয়ে গেছে।
সিএনজি পাম্পগুলোতে গ্যাসের অভাবে দীর্ঘ লাইন দেখা যাচ্ছে। ফলে অটোরিকশা ও গণপরিবহন ব্যাহত হচ্ছে, চালকের আয় কমছে এবং যাত্রীদের ভোগান্তি বাড়ছে।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন, দ্রুত এলএনজি আমদানি বৃদ্ধি এবং স্থানীয় গ্যাস উৎপাদন বাড়ানো না হলে সংকট আরও গভীর হবে। ব্যবসায়ী নেতারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, দীর্ঘস্থায়ী হলে বরিশালের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং বেকারত্বের হার বাড়বে।
এই বাংলা/এমএস
টপিক

