মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বকশীগঞ্জে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন

বকশীগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি
  • প্রকাশকালঃ মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

জামালপুরের বকশীগঞ্জে দৈনিক মানবকণ্ঠের উপজেলা প্রতিনিধি ও বকশীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন হিলারীর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় বকশীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সামনে সাংবাদিক সমাজ ও সর্বস্তরের জনসাধারণের ব্যানারে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপজেলার বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকরা অংশ নেন।

মানববন্ধনে বক্তারা দাবি করেন, মোয়াজ্জেম হোসেন হিলারী দীর্ঘদিন ধরে বকশীগঞ্জে সাংবাদিকতা করছেন এবং বিভিন্ন অনিয়ম ও অসংগতির বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ করে আসছেন। তাদের অভিযোগ, এ কারণে তাকে হয়রানি করতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মামলাটি করা হয়েছে।

বক্তারা মামলাটি সুষ্ঠুভাবে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং তা প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানান। একই সঙ্গে হয়রানিমূলক মামলা দায়েরের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি করেন তারা। দাবি পূরণ না হলে পরবর্তী সময়ে আরও কর্মসূচি দেওয়ার কথা জানান সাংবাদিকরা।

মানববন্ধনে বক্তাদের বক্তব্যে একটি জমি নিয়ে বিরোধের বিষয়ও উঠে আসে। তাদের দাবি, সংশ্লিষ্ট দাগের জমির বি.আর.এস. রেকর্ড নুরুন্নাহার ওরফে কাপাশি বিবির নামে চূড়ান্তভাবে প্রকাশিত ছিল। ১৯৯০ সালের দিকে ওই এলাকায় চলাচলের জন্য রাস্তা নির্মাণ করা হয়। পরে ১৯৯৩ সালে সাংবাদিক হিলারীর দাদা-শ্বশুর হেকমত আলী, শ্বশুর লিয়াকত আলী ও ফুফু-শাশুড়িসহ তিনজন মিলে ৩৩ শতাংশ জমি কিনে বাড়িঘর নির্মাণ করে ভোগদখল করে আসছিলেন বলে বক্তারা দাবি করেন।

তাদের আরও দাবি, রাস্তা নির্মাণের পর খতিয়ানের হোল্ডিং থেকে রাস্তার অংশ আলাদাভাবে কর্তন না হওয়ায় পরবর্তীতে জমি নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয়। বক্তাদের অভিযোগ, আবুল কাশেম কাশি ওই রাস্তার জমি কৌশলে নিজের নামে খারিজ করে নেন। সাংবাদিক হিলারীর ওই সম্পত্তির সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ততা না থাকলেও তাকে মামলায় এক নম্বর আসামি করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তারা।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে আবুল কাশেম কাশির বক্তব্য জানা যায়নি।

মানববন্ধনে স্থানীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা সাংবাদিক হিলারীর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার নিরপেক্ষ তদন্ত ও আইনানুগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিষয়টির সমাধানের দাবি জানান।

এই বাংলা/এমএস

এই সম্পর্কিত আরো খবর