বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চরভদ্রাসনের হোটেলগুলোতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার বিক্রি, প্রশাসনের নজরদারি দাবি

এইবাংলা অনলাইন
  • প্রকাশকালঃ শুক্রবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৫
চরভদ্রাসনের হোটেলগুলোতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ / ছবি : এই বাংলা প্রতিনিধি

চরভদ্রাসন (ফরিদপুর) প্রতিনিধি :


চরভদ্রাসন উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারের খাবারের হোটেলগুলোতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার প্রস্তুত ও বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। প্রতিদিন শত শত মানুষ এসব হোটেলে খাবার খেতে গেলেও স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে চলছে কার্যক্রম।

দৈনিক এই বাংলার সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন

স্থানীয়দের অভিযোগ, চরভদ্রাসন সদর বাজার, মৌলভীর চরবাজার, হাজিগঞ্জ বাজার ও জাকেরের সুরা বাজারের অধিকাংশ হোটেলের রান্নাঘর ও খাবার সংরক্ষণের স্থান অত্যন্ত নোংরা। কোথাও স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে না; অনেক জায়গায় খোলা জায়গায়, রাস্তার পাশেই রান্না হচ্ছে। খোলা খাবারে ধুলাবালি, মশা-মাছি বসে পড়ায় ক্রেতাদের স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়ছে।

এছাড়া চরভদ্রাসন বাজারে কয়েকজন হোটেল মালিকের বিরুদ্ধে অন্য প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করে ব্যবসা চালানোর অভিযোগও পাওয়া গেছে। “হাজির বিরানি হাউজ” ও “নান্না বিরানি হাউজ” নাম ব্যবহার করে অন্য দোকান থেকে খাবার বিক্রির ঘটনা ঘটছে বলে জানা গেছে, যা স্থানীয় ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিষয়টি একাধিকবার উপজেলা প্রশাসনকে জানানো হলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এতে ব্যবসায়ীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।

এ বিষয়ে চরভদ্রাসন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনিরা খাতুন জানান, “অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরি বা বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কেউ অন্য প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করে প্রতারণা করছে কিনা তাও যাচাই করা হবে।”

সচেতন নাগরিকরা প্রশাসনের নিয়মিত অভিযান ও কঠোর নজরদারির দাবি জানিয়েছেন, যাতে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষিত থাকে।

এই বাংলা/এমএস

টপিক

এই সম্পর্কিত আরো খবর

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে দেশের চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত জারি করা হয়েছে। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, গভীর নিম্নচাপটি বুধবার সকাল ৬টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৯০০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার থেকে ৮৮০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা থেকে ৭২০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৭৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল।

গভীর নিম্নচাপটি আরও পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে বুধবার রাতে ভারতের উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ ও দক্ষিণ ওড়িশা উপকূল অতিক্রম করতে পারে। এর প্রভাবে সমুদ্রবন্দর, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গভীর নিম্নচাপের কেন্দ্রের ৪৮ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৫০ কিলোমিটার। দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে এ গতিবেগ ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। কেন্দ্রের কাছাকাছি এলাকায় সাগর উত্তাল রয়েছে।

এ অবস্থায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে দেশের বিভিন্ন এলাকায় দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিও হতে পারে।

এই বাংলা/এমএস

বঙ্গোপসাগরে গভীর নিম্নচাপ, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত