বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ডিমলায় ১০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৯৫ জোড়া বেঞ্চ বিতরণ

ডিমলা (নীলফামারি) প্রতিনিধি
  • প্রকাশকালঃ মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬

নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) অর্থায়নে ১০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৯৫ জোড়া উঁচু-নিচু বেঞ্চ বিতরণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুরে ডিমলা উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে বেঞ্চ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নীলফামারী-১ (ডোমার-ডিমলা) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ আব্দুস সাত্তার।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইমরানুজ্জামান, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শফিউল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি রইসুল আলম চৌধুরী, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা মজিবুর রহমান, সেক্রেটারি কাজী রোকনুজ্জামান বকুল, সহকারী সেক্রেটারি অধ্যক্ষ আনোয়ার ইসলাম লেবু, ওহায়েদুজ্জামান বাবুল এবং ৩ নম্বর ইউনিয়নের জামায়াত মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী মিনালুজ্জামান মিন্টুসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

এ সময় উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান ও প্রতিনিধিদের কাছে বেঞ্চগুলো হস্তান্তর করা হয়।

বেঞ্চ পাওয়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো হলো—খারিশা চাপানি আইনুল হক ফাজিল মাদ্রাসা, সুন্দরখাতা শফিকুল গনি স্বপ্ন ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসা, কে.ডি. আলিম মাদ্রাসা, সৈকত উচ্চ বিদ্যালয়, সাইফুন সাইড উচ্চ বিদ্যালয়, বারবিশা দাখিল মাদ্রাসা, দোহলপাড়া আদর্শ স্কুল অ্যান্ড কলেজ, গয়াবাড়ী স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ডিমলা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় এবং সম্মিলিত বন্দর খড়িবাড়ী দাখিল মাদ্রাসা।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে মোট ৯৫ জোড়া বেঞ্চ বিতরণ করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র সরবরাহের ফলে শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের বসার সুবিধা বাড়বে এবং শিক্ষার পরিবেশ আরও উন্নত হবে।

এ সময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের উদ্দেশে বক্তারা বলেন, শিক্ষার মান আরও উন্নত করতে হবে। শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়াশোনায় মনোযোগী করার পাশাপাশি তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য খেলাধুলার চর্চাও অব্যাহত রাখতে হবে।

এই বাংলা/এমএস

এই সম্পর্কিত আরো খবর

পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় চাকরি জীবনের শেষ কর্মদিবসে প্রধান শিক্ষক মো. মোছাদ্দেকুর রহমানকে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিদায় জানিয়েছেন শিক্ষার্থী, সহকর্মী ও এলাকাবাসী।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার ২৬ নম্বর কালিতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ বিদায় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। দীর্ঘ ৩৩ বছরের শিক্ষকতা জীবনের শেষ কর্মদিবসে প্রিয় শিক্ষককে বিদায় জানাতে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ সাজানো হয়।

অনুষ্ঠানে আলোচনা সভা ও সম্মাননা প্রদান শেষে মো. মোছাদ্দেকুর রহমানকে সুসজ্জিত গাড়িতে করে নিজ বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়। গাড়ির সামনে-পেছনে ছিলেন শিক্ষার্থী, সহকর্মী ও এলাকাবাসী। গাড়িতে ওঠার সময় তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো এবং ফুলের মালা পরিয়ে বিদায় জানানো হয়। এ সময় আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন বিদায়ী প্রধান শিক্ষক।

বিদায়কালে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে মো. মোছাদ্দেকুর রহমান বলেন, “আমি বিদায় নিচ্ছি, কিন্তু দোয়া রেখে গেলাম। তোমরা নিজেদের মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে তুলবে।”

বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা বলেন, বিদায় সবসময়ই কষ্টের। তবে একজন শিক্ষকের কর্মজীবনের শেষ দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে শিক্ষার্থী ও সহকর্মীরা এমন আয়োজন করেছেন। এতে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে শিক্ষকের দীর্ঘদিনের সম্পর্কও প্রতিফলিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বোদা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আজমল আজাদ বলেন, একজন শিক্ষক চাকরিজীবন শেষে বিদ্যালয় থেকে বাড়ি ফেরার সময় সন্তানতুল্য শিক্ষার্থীদের ছেড়ে যাওয়ার কষ্ট অনুভব করেন। মোছাদ্দেকুর রহমানের মতো প্রতিটি শিক্ষকের বিদায়ই স্মরণীয় হওয়া উচিত।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বোদা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আজমল আজাদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বোদা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ইন্সট্রাক্টর এ কে এম সারোয়ার জাহান আহমেদি, উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম, কালিয়াগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. ফজলার রহমান, সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুর রাজ্জাক, কালিয়াগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আব্দুল মোমিন এবং পঞ্চগড় সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মাহমুদুল হকসহ শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

এই বাংলা/এমএস

পঞ্চগড়ে প্রধান শিক্ষককে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিদায়