
রাউজান প্রতিনিধি :
রাউজানে যুবদল নেতা জানে আলম সিকদার হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস-চেয়ারম্যান ও রাউজান–রাঙ্গুনিয়ার সাবেক সংসদ সদস্য গিয়াসউদ্দিন কাদের চৌধুরী।
সোমবার এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, রাউজান যুবদলের দীর্ঘদিনের ত্যাগী ও নির্যাতিত নেতা এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ সহচর জানে আলম সিকদারকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগের ‘বি-টিম’ হিসেবে পরিচিত বিএনপি দাবিদার এক ব্যক্তির পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত সন্ত্রাসী গোষ্ঠী এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করেছে।
দৈনিক এই বাংলার সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন
বিবৃতিতে গিয়াসউদ্দিন কাদের চৌধুরী বলেন, “মনোনয়ন প্রাপ্তির অজুহাতে রাউজানে প্রবেশ করে ওই ব্যক্তি আওয়ামী সন্ত্রাসীদের সঙ্গে নিয়ে প্রকৃত ও সাচ্চা বিএনপির নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের একের পর এক হত্যা করছে, যারা গত ১৭ বছর ধরে নির্যাতনের শিকার।”
তিনি আরও দাবি করেন, গত ৫ আগস্টের পর রাউজানে সংঘটিত ১৭টি হত্যাকাণ্ডের মধ্যে ১১ জনই তাঁর অনুসারী এবং বাকি ৬টি হত্যাকাণ্ড পারিবারিক ও সামাজিক সহিংসতার কারণে ঘটেছে। এ অবস্থায় রাউজানবাসীর পক্ষ থেকে প্রশ্ন উঠেছে—আর কত মায়ের বুক খালি হলে ওই ব্যক্তি শান্ত হবে।
বিএনপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, তিনি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া এবং আগামী রাষ্ট্রনায়ক তারেক রহমানের আদর্শ ও বিশ্বাসের প্রতি অতীতের মতো ভবিষ্যতেও অবিচল থাকবেন।
যুবদল নেতা জানে আলম সিকদারের হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তিনি অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে দলীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার ও জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান।
এই বাংলা/এমএস
টপিক
