রাঙামাটির সাজেক উজো বাজারে দোকানপাট ভাঙচুরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে জড়িয়ে বিভিন্ন অভিযোগ ও পাল্টা বক্তব্য সামনে এসেছে। এ ঘটনায় সাজেক গণ অধিকার ফোরামের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে একটি পক্ষ। তাদের দাবি, সংগঠনটির অভ্যন্তরীণ সাংগঠনিক দুর্বলতা আড়াল করতে সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন তথ্য প্রচার করা হচ্ছে।
অভিযোগকারী পক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, নিজেদের সাংগঠনিক সংকট ও ব্যর্থতা আড়াল করতে সাজেক গণ অধিকার ফোরাম ঘটনাটিকে ভিন্নভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা করছে। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীনভাবে যাচাই করা কোনো তথ্য বা প্রমাণ এখানে পাওয়া যায়নি।
ওই পক্ষের আরও অভিযোগ, সাজেক উজো বাজারে দোকানপাট ভাঙচুরের ঘটনায় প্রকৃত দায়ীদের আড়াল করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর দায় চাপানোর চেষ্টা চলছে। তাদের আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযোগ ও পাল্টাপাল্টি বক্তব্য স্থানীয় বাসিন্দা, ব্যবসায়ী এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে।
অভিযোগকারী পক্ষের মতে, পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে দায়িত্বশীল আচরণ এবং তথ্য যাচাই ছাড়া কোনো বক্তব্য প্রচার না করা জরুরি। একই সঙ্গে দোকানপাট ভাঙচুরের ঘটনার প্রকৃত কারণ ও দায়ীদের শনাক্ত করতে নিরপেক্ষ তদন্তের প্রয়োজন রয়েছে।
স্থানীয় পর্যায়ে শান্তি-সম্প্রীতি বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সংযত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন অভিযোগকারী পক্ষের প্রতিনিধিরা। তাঁদের মতে, কোনো ঘটনাকে কেন্দ্র করে যাচাইবিহীন তথ্য ছড়ানো হলে সাধারণ মানুষ ও স্থানীয় ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন।
তবে এ বিষয়ে সাজেক গণ অধিকার ফোরামের বক্তব্য, সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিক্রিয়া এবং দোকানপাট ভাঙচুরের ঘটনার স্বাধীনভাবে যাচাই করা বিবরণ পাওয়া গেলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে।
এই বাংলা/এমএস