পিরোজপুর প্রতিনিধি :
পিরোজপুর জেলা পুলিশের সাইবার পেট্রোলিং ইউনিটের তৎপরতায় হারিয়ে যাওয়া ২২টি স্মার্টফোন এবং বিকাশ প্রতারণার মাধ্যমে খোয়া যাওয়া ১৮ হাজার টাকা উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টায় পিরোজপুর জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ভুক্তভোগীদের হাতে এসব উদ্ধারকৃত মালামাল তুলে দেওয়া হয়।
জেলা পুলিশের আইসিটি অ্যান্ড মিডিয়া (সাইবার পেট্রোলিং) শাখা জেলার বিভিন্ন থানায় দায়ের করা সাধারণ ডায়েরি (জিডি) পর্যালোচনা করে এবং আধুনিক তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে নামী ব্র্যান্ডের ২২টি অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। একই সঙ্গে ডিজিটাল প্রতারণার শিকার এক ব্যক্তির বিকাশ অ্যাকাউন্ট থেকে খোয়া যাওয়া ১৮ হাজার টাকাও উদ্ধার করা হয়।
দৈনিক এই বাংলার সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন
এই সাফল্যের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন পিরোজপুর জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমেদ সিদ্দিকী। তাঁর দিকনির্দেশনা ও সরাসরি তত্ত্বাবধানে জেলা পুলিশ প্রযুক্তিনির্ভর ও জনবান্ধব পুলিশিং কার্যক্রম আরও জোরদার করেছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ভুক্তভোগীরা হারানো মোবাইল ফোন ও অর্থ ফিরে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন এবং জেলা পুলিশের এই উদ্যোগের প্রশংসা করেন।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন্স) মোঃ জিয়াউর রহমান পুরো উদ্ধার কার্যক্রমের সার্বিক তদারকি করেন। সাইবার পেট্রোলিং ইউনিট নিয়মিতভাবে সাইবার অপরাধ দমন ও জনগণের সম্পদ উদ্ধারে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
অনুষ্ঠানে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি পিরোজপুর জেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এস এম আবু জাফরসহ স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমেদ সিদ্দিকী বলেন, “জনগণের সেবাই জেলা পুলিশের মূল লক্ষ্য। আমরা শুধু আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা নয়, বরং সাধারণ মানুষের সমস্যা সমাধানে প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করছি। এ ধরনের উদ্ধার কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”
জেলা পুলিশের এই উদ্যোগ পিরোজপুরবাসীর মধ্যে পুলিশের প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস আরও দৃঢ় করেছে।
এই বাংলা/এমএস
টপিক

