পিরোজপুর প্রতিনিধি :
পিরোজপুর জেলার মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নবনির্মিত জেলা হাসপাতালটি খুব শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে। আধুনিক চিকিৎসাসেবা ও উন্নত ল্যাব সুবিধা জেলার মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।
সম্প্রতি হাসপাতালটি চালুর সার্বিক অগ্রগতি পর্যালোচনায় সরেজমিনে পরিদর্শন করেন পিরোজপুরের সিভিল সার্জন ডা. মো. মতিউর রহমান। এ সময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শহীদুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
দৈনিক এই বাংলার সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন
পরিদর্শনকালে নবনির্মিত হাসপাতাল ভবনের অবকাঠামোগত অবস্থা, চিকিৎসা সরঞ্জাম স্থাপনের অগ্রগতি এবং আধুনিক ল্যাবরেটরি সুবিধা পর্যবেক্ষণ করা হয়। যেসব কারিগরি কাজ এখনো অসম্পূর্ণ রয়েছে, সেগুলো দ্রুত শেষ করার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে নির্দেশনা দেওয়া হয়।
এ সময় সিভিল সার্জন ডা. মো. মতিউর রহমান বলেন, পিরোজপুরবাসী যেন সাধারণ কিংবা জটিল চিকিৎসার জন্য খুলনা বা বরিশালে যেতে বাধ্য না হন—সেই লক্ষ্যেই হাসপাতালটি দ্রুত চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। হাসপাতালটি চালু হলে জেলার স্বাস্থ্যসেবার মানে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
জেলায় দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই সিভিল সার্জনের তত্ত্বাবধানে স্বাস্থ্যখাতে বিভিন্ন সংস্কারমূলক উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। অবৈধ ও অনিবন্ধিত ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসকদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং রোগীসেবার মান উন্নয়নে নিয়মিত তদারকি কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, নতুন হাসপাতালটি চালু হলে জটিল রোগের চিকিৎসার জন্য জেলার বাইরে গিয়ে যে শারীরিক ও আর্থিক ভোগান্তি পোহাতে হতো, তা অনেকটাই কমে আসবে। উন্নত চিকিৎসা ব্যবস্থার মাধ্যমে জেলার স্বাস্থ্যসেবায় একটি নতুন অধ্যায় সূচিত হবে বলে তারা প্রত্যাশা করছেন।
এই বাংলা/এমএস
টপিক

