নাটোরে দুই শিশুর বিরোধের জেরে বায়েজিদ বিন মাহমুদ (৭) নামে এক শিশুর আঙুল কেটে দেওয়ার অভিযোগে পুলিশ কনস্টেবল সাকিল আহমেদ (৩৮) ও তাঁর স্ত্রী নাছরিন (৩২)কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকালে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তার সাকিল আহমেদ নাটোর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে কর্মরত। তাঁর বাড়ি জয়পুরহাট সদর উপজেলার নিজামপুর চক বরকত এলাকায়।
নাটোর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুনসুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
শিশুটির বাবা মাহমুদুল হাসান মিলনের অভিযোগ, চাকরির সুবাদে তিনি ঢাকায় থাকেন। বুধবার বাসার ভাড়াটিয়াদের উদ্যোগে একটি পিকনিকের আয়োজন করা হয়। সেখানে সাকিল আহমেদের মেয়ের সঙ্গে বায়েজিদের ঝগড়া বা কথাকাটাকাটি হয়।
তাঁর অভিযোগ, ওই ঘটনার জের ধরে বৃহস্পতিবার সকালে সাকিল আহমেদ ও তাঁর স্ত্রী বায়েজিদকে জোর করে একটি কক্ষে নিয়ে যান। সেখানে ধারালো অস্ত্র দিয়ে শিশুটির ডান হাতের একটি আঙুল কেটে দেওয়া হয়।
পরে গুরুতর আহত অবস্থায় বায়েজিদকে নাটোর সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
শিশুটির বাবা জানান, ঘটনার খবর পেয়ে তিনি নাটোরে এসে বাসার ভেতরে রক্তের চিহ্ন দেখতে পান। পরে পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে নাটোর সদর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটির কাটা আঙুলের অংশসহ বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করে।
নাটোর সদর থানার ওসি মুনসুর রহমান বলেন, শিশুটির পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ পাওয়ার পরপরই কনস্টেবল সাকিল আহমেদ ও তাঁর স্ত্রী নাছরিনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এই বাংলা/এমএস