
ঝালকাঠী প্রতিনিধি :
আগামী দিনে যেন দেশে আর কোনো ফ্যাসিবাদী শাসনের উদ্ভব না ঘটে, সে লক্ষ্যেই গণভোট আয়োজন করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। তিনি বলেন, শহীদ ওসমান হাদীর আত্মত্যাগকে মর্যাদা দিতে হলে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটকে বিজয়ী করতে হবে।
সোমবার বিকেলে ঝালকাঠি শহরের শিশুপার্ক মাঠে গণভোটের পক্ষে জনসচেতনতা ও উদ্বুদ্ধকরণে আয়োজিত এক সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ফরিদা আখতার বলেন, শহীদ হাদীর নিজ জেলায় এসে তিনি গভীর আবেগ ও আত্মতৃপ্তি অনুভব করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, হাদীর মতো দেশপ্রেমিক নেতৃত্ব সংসদে প্রয়োজন ছিল এবং তাঁর হত্যাকাণ্ডের বিচার এই মাটিতেই নিশ্চিত করা হবে।
দৈনিক এই বাংলার সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন
গণভোট প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠনের পাশাপাশি ভবিষ্যৎ সরকার ব্যবস্থার কিছু মৌলিক দায়িত্ব ও দিকনির্দেশনা জনগণের মতামতের ভিত্তিতে নির্ধারণ করতেই অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গণভোটের উদ্যোগ নিয়েছে। এজন্যই ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে অবস্থান নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, জুলাই সনদের বাস্তবায়ন এবং সেখানে প্রকাশিত জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করাই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য। ছাত্রসমাজ যে আকাঙ্ক্ষা নিয়ে আন্দোলনের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদী শাসনের পতন ঘটিয়েছে, সেই দাবিগুলো বাস্তবায়নের দায়িত্বই এখন সরকারের ওপর ন্যস্ত। এ লক্ষ্য অর্জনে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়া জরুরি।
ফরিদা আখতার বলেন, সরকার কেবল একটি নির্বাচন আয়োজনের জন্য দায়িত্ব নেয়নি; বরং ভবিষ্যতে দেশ কীভাবে পরিচালিত হবে, সে বিষয়েও জনগণের রায় নেওয়ার চেষ্টা করছে। ভবিষ্যতে যেন আর কোনো ফ্যাসিবাদী শক্তি মাথাচাড়া দিতে না পারে, গণভোটের মূল উদ্দেশ্য সেখানেই।
জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সুধী সমাবেশে পুলিশ সুপার মিজানুর রহমানসহ জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, মুক্তিযোদ্ধা, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
এই বাংলা/এমএস
টপিক
