
ইবি প্রতিনিধি :
বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে শোক বইয়ে স্বাক্ষর ও মন্তব্য করেছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) দুপুর ২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবন চত্বরে বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইউট্যাব) এর উদ্যোগে এ শোক বইয়ে স্বাক্ষরের আয়োজন করা হয়।
দৈনিক এই বাংলার সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এয়াকুব আলী, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর আলম। এছাড়াও প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান, প্রভোস্ট কাউন্সিলের সভাপতি অধ্যাপক ড. জালাল উদ্দীন, শাহ আজিজুর রহমান হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. এ টি এম মিজানুর রহমান, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন ড. আব্দুস শাহীদ মিয়া, আইসিটি সেলের পরিচালক অধ্যাপক ড. শাহজাহান আলীসহ বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে সাদা দলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান, ইউট্যাবের সভাপতি অধ্যাপক ড. তোজাম্মেল হোসেনসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ শোক বইয়ে স্বাক্ষর করেন।
ইউট্যাবের সভাপতি অধ্যাপক ড. তোজাম্মেল হোসেন বলেন, “জাতীয় ঐক্যের প্রতীক ও তিনবারের প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার গভীরভাবে শোকাহত। তাঁর রুহের মাগফেরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি।”
শোক বইয়ে স্বাক্ষর শেষে উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, “বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সারা বাংলাদেশ যেভাবে শোকে মুহ্যমান হয়েছে, তা ইতিহাসে বিরল। তিনি আজীবন গণতন্ত্রের পক্ষে এবং ফ্যাসিবাদী চক্রান্ত ও আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে গেছেন।”
তিনি আরও বলেন, “দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি মাটি ও মানুষের নেত্রী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। তাঁর আদর্শ ও সংগ্রামী জীবন ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। আগামী দিনে তাঁর রাজনৈতিক জীবন ও গণতান্ত্রিক সংগ্রাম নিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে গবেষণা ও অধ্যয়ন হবে বলে আমি বিশ্বাস করি।”
এই বাংলা/এমএস
টপিক
