নাগরপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি :
টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলায় মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার বারাপুষা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বারাপুষা গ্রামের সর্বস্তরের জনগণের উদ্যোগে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বেকড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মো. আব্দুল বারেক বারী। তিনি অভিযোগ করে বলেন, বেকড়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি আব্দুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মিজানুর রহমান ও কয়েস উদ্দিন তার বিরুদ্ধে ৪০ থেকে ৪৫টি মিথ্যা মামলা দায়ের করে হয়রানি করছে। একই সঙ্গে বারাপুষা গ্রামের অন্তত ১৫ জনের বিরুদ্ধেও গণমামলা দিয়ে চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।
দৈনিক এই বাংলার সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন
লিখিত বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতারা তার স্বত্বাধীন জমিকে নিজেদের দাবি করে একটি অসত্য ও বানোয়াট সংবাদ পরিবেশন করিয়ে তার সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করেছেন, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
এছাড়া তিনি অভিযোগ করেন, মোকছেদ আলীর কাছ থেকে তার ভাতিজা রানা ১১ শতাংশ জমি ৮০ হাজার টাকা দরে ক্রয় করলেও জমিটি রেজিস্ট্রি না করে নানা টালবাহানা করা হচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী আবু তালেব বলেন, তার বিরুদ্ধে ৮টি মামলা রয়েছে। আব্দুল জব্বার জানান, তার নামে ২টি মামলা হয়েছে। লুৎফর রহমানের নামে ৬টি, জোকিম উদ্দিনের নামে ২টি, রহম আলীর নামে ২টি, ইছাক মেম্বারের নামে ২টি, আক্তার আলীর নামে ১টি, আহেদ আলীর নামে ২টি, কামাল হোসেনের নামে ১টি এবং মো. ময়নাল মিয়ার নামে ১টি মামলার কথা উল্লেখ করেন তারা। তাদের অভিযোগ, নাম-বেনামে অসংখ্য মামলা দিয়ে ভয়ভীতি ও হয়রানি করা হচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ভুক্তভোগীরা এসব ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবি জানান।
এ সময় এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
এই বাংলা/এমএস
টপিক

