শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। এ সময় তিনি পূজার পরিবেশ ও নিরাপত্তাব্যবস্থা পর্যালোচনা করেন এবং নির্বিঘ্নে উৎসব উদ্যাপনে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। পাশাপাশি একটি পূজামণ্ডপে ২০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা দেন তিনি।
রোববার (১৮ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার পশ্চিম চাম্বল, সাধনপুর ও বাণীগ্রাম এলাকার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন জেলা প্রশাসক।
পরিদর্শনকালে তিনি বলেন, দুর্গোৎসবের ঐতিহ্য ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সরকার কাজ করছে। সব সম্প্রদায়ের মানুষ যেন নির্বিঘ্নে ও আনন্দের সঙ্গে ধর্মীয় উৎসব উদ্যাপন করতে পারেন, সে লক্ষ্যে প্রশাসন নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। পূজাকে আনন্দমুখর করতে সরকার আর্থিক সহযোগিতাও বাড়িয়েছে।
জেলা প্রশাসক আরও বলেন, সনাতন সম্প্রদায়ের পাশে সরকার রয়েছে। উৎসব সফল করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকেও সহযোগিতা করা হচ্ছে। সবাই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে উৎসব উদ্যাপন করবেন এবং সম্মিলিতভাবে সামনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির চিত্র বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরতে হবে। এ দেশের মানুষ মিলেমিশে উৎসব উদ্যাপন করে। বাংলাদেশ সবার—এখানে সব সম্প্রদায়ের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে।
পরিদর্শনের শুরুতে জেলা প্রশাসক পশ্চিম চাম্বল বাংলা বাজার সার্বজনীন বুড়া কালী মন্দিরের পূজামণ্ডপে যান। সেখানে মণ্ডপের সভাপতি গুরুধন দাসের হাতে নগদ ২০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা তুলে দেন তিনি।
পরে তিনি শ্রীশ্রী অদ্বৈতানন্দ ঋষিমঠ ও মিশন সার্বজনীন দুর্গোৎসব মণ্ডপ, সাধনপুর পল্লীমঙ্গল সমিতির পূজামণ্ডপ এবং বাণীগ্রাম জগন্নাথধাম সার্বজনীন দুর্গোৎসব মণ্ডপ পরিদর্শন করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা, বাঁশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রুহুল আমিন, বাঁশখালী পৌরসভার সাবেক মেয়র কামরুল ইসলাম হোসাইনী, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তামজিদুর রহমান তন্ময়, উপজেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি লায়ন শেখর দত্ত, চাম্বল ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. শহীদ উল্লাহসহ স্থানীয় পূজা উদ্যাপন পরিষদের নেতারা।
এই বাংলা/এমএস