চরভদ্রাসন (ফরিদপুর) প্রতিনিধি :
ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলা সদরের বালিয়াডাঙ্গী গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধে থাকা ১৬.৫ শতাংশ জমি পরিমাপ করে প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর করেছেন স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও বিএনপি নেতৃবৃন্দ। বুধবার সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পেছনের সংযোগ সড়কের ঢালসংলগ্ন ফসলি মাঠে এ হস্তান্তর কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।
দৈনিক এই বাংলার সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন
প্রকৃত মালিকরা হলেন— মো. জাহিদুল ইসলাম জাহিদ (৪১), ইসমাইল ফকির (৫৩) এবং মিজানুর রহমান খান (৫৮)।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ–সভাপতি নুরুজ্জামান মোল্যা, উপজেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওহাব মোল্যা, যুবদল নেতা আবুল কালাম ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রায় দুই বছর আগে এলাকার এক ব্যক্তি জমিটি নিজের মালিকানা দাবি করে পুকুর খনন ও গাছ লাগানোর মাধ্যমে দখল প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেন। এতে জমির প্রকৃত মালিকরা দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল থেকে বঞ্চিত ছিলেন।
অভিযুক্ত ব্যক্তি জানান, তিনি ৩০৮ নং সাফ–কবলা দলিলের মাধ্যমে মোট ২৫ শতাংশ জমি ক্রয় করেছেন। তবে দলিলে উল্লিখিত জমির অবস্থান অন্য জায়গায় হওয়ায় তিনি ফরিদপুর দেওয়ানী আদালতে দলিল সংশোধনের আবেদন করেছেন। তার দাবি, জমির দাতার পূর্ববর্তী দখল অবস্থানের ভিত্তিতেই তিনি পুকুর খনন ও গাছ লাগিয়েছেন।
ক্ষতিগ্রস্ত মালিকদের বক্তব্য অনুযায়ী, বিতর্কিত জমিটি তারা প্রনবানন্দ মুখার্জীর কাছ থেকে ১০৫৭ নম্বর পাওয়ার অব অ্যাটর্নির মাধ্যমে ক্রয় করেও দখলে যেতে পারছিলেন না। জমিটি দিয়ারা ১১ নং চরভদ্রান মৌজার ৯৭৯ নম্বর খতিয়ানের ৬৮৫৯ ও ৬৮৬১ দাগের অন্তর্ভুক্ত বলে তারা দাবি করেন।
তারা জানান, স্থানীয় তহশিলদারের প্রতিবেদনে ওই ব্যক্তির জমির উপর স্বত্ব নেই—এমন মতামত দেওয়া হলেও দীর্ঘদিন ধরে জমিটি ফেরত পাওয়া সম্ভব হয়নি।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বুধবার বিরোধীয় জমি পরিমাপ করে প্রকৃত মালিকদের বুঝিয়ে দেওয়ার পর অভিযুক্ত ব্যক্তি পুনরায় জমিতে গিয়ে গাছ কেটে ফেলার চেষ্টা করেন এবং পুলিশি ঝামেলা সৃষ্টি করার অভিযোগও রয়েছে।
এই বাংলা/এমএস
টপিক

