ঝালকাঠি প্রতিনিধি :
দেশের প্রতিটি উপজেলার নির্বাচিত একটি ব্লকে (তিনটি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত) পরীক্ষামূলকভাবে শুরু হয়েছে ‘কৃষক স্মার্ট কার্ড’ তৈরির তথ্য সংগ্রহ অভিযান। এরই অংশ হিসেবে ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলার ৬ নম্বর আওরাবুনিয়া ইউনিয়নের নির্ধারিত ব্লকে পুরোদমে চলছে কৃষকদের তথ্য নিবন্ধনের কাজ।
গত বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সূচিত হওয়া এ ডিজিটাল তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই-বাছাই কার্যক্রম আগামী ৮ আগস্ট পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্নভাবে চলবে।
তথ্য সংগ্রহের সুবিধার্থে মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন সংশ্লিষ্ট ব্লকের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা। তাঁরা সরাসরি কৃষকদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্যাদি সংগ্রহপূর্বক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে প্রবেশ করাচ্ছেন।
কাজের অগ্রগতির বিষয়ে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা অদিতি রানী জানান, নিখুঁত তথ্য নিশ্চিত করতে কৃষক কিংবা কৃষাণীর স্বামী-স্ত্রীর জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) মূল কপি, তাঁদের নিজস্ব নিবন্ধিত মোবাইল নম্বর এবং আবাদি জমির মালিকানা সংক্রান্ত বৈধ কাগজপত্র পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই করে ডাটাবেজে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে।
দৈনিক এই বাংলার সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন
স্মার্ট কার্ডের গুরুত্ব ও উপকারিতা সম্পর্কে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. আমিরুল ইসলাম তুলে ধরেন যে, এ কার্ডের মাধ্যমে প্রকৃত কৃষকরা সরাসরি সরকারি আর্থিক অনুদান, সুনির্দিষ্ট ন্যায্যমূল্যে সার ও উন্নত মানের বীজ, অত্যন্ত সহজ শর্তে কৃষিঋণ এবং সময়োপযোগী ডিজিটাল কৃষি পরামর্শ সেবার আওতায় আসবেন।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ ফাতেমা ইসলাম জানান, সারাদেশের ন্যায় কাঁঠালিয়াতেও স্মার্ট কার্ড বাস্তবায়নের এই পাইলটিং প্রকল্প চলমান রয়েছে, যা আগামী ৮ আগস্ট সম্পন্ন হবে। তিনি স্পষ্ট করেন, শুধুমাত্র যারা প্রত্যক্ষভাবে কৃষি পেশার সাথে যুক্ত, তারাই এই কার্ডের আওতায় আসবেন এবং প্রতিটি খানা (পরিবার) থেকে একজন কৃষককে এই কার্ড প্রদান করা হবে। এ ক্ষেত্রে সঠিক ও নির্ভুল তথ্য প্রদান করে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরকে সার্বিক সহযোগিতা করার জন্য তিনি সর্বস্তরের কৃষকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
এই বাংলা/এমএস
টপিক

