বরিশাল বুরো :
সম্প্রতি ঋণখেলাপিদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের অনুমতি দেওয়ার সিদ্ধান্তকে ঘিরে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। সচেতন মহল ও সামাজিক বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, যদি ঋণখেলাপিরা সাংবিধানিক অধিকার অনুযায়ী নির্বাচনে অংশ নিতে পারে, তবে রাষ্ট্রের ন্যায়বিচারের মানদণ্ড অনুযায়ী সাধারণ ঋণগ্রস্ত জনগণকেও সমানভাবে রক্ষা করতে হবে।
তাদের দাবী, দেশের লাখো মানুষ ব্যাংক, এনজিও ও অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঋণ বহন করছেন। সময়মতো কিস্তি পরিশোধে ব্যর্থ হলে তারা আইনি নোটিশ, সামাজিক চাপ ও নানা ধরনের হয়রানির মুখোমুখি হন। অথচ বড় অঙ্কের ঋণখেলাপিরা রাজনৈতিক সুবিধা নিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারছে, যা স্পষ্টভাবে বৈষম্যের ইঙ্গিত দেয়।
দৈনিক এই বাংলার সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন
বিশ্লেষকরা বলেন, রাষ্ট্র যদি নির্বাচনের মতো গুরুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক অধিকার প্রদানে ঋণখেলাপিদের জন্য শিথিলতা দেখায়, তবে একই সঙ্গে সাধারণ জনগণের ঋণের দায়ভারও পুনর্বিবেচনার প্রয়োজন। যেমন, ব্যাংক ও এনজিও ঋণে সুদ মওকুফ, পুনঃতফসিল বা রাষ্ট্রীয়ভাবে দায়ভার গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে।
তাদের মতে, তা না হলে এটি সাধারণ মানুষের সঙ্গে বৈষম্যমূলক আচরণ হিসেবে গণ্য হবে, যা সামাজিক ন্যায়বিচার ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পরিপন্থী। সরকার ও সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকদের এই বিষয়ে স্পষ্ট অবস্থান নেওয়ার প্রত্যাশা করছেন তারা।
এই বাংলা/এমএস
টপিক

