আনন্দ নগরে নারী নেত্রীদের উৎসবমুখর গণসংযোগে প্রাণ ফিরেছে নির্বাচনী মাঠে

0
204
বিএনপির উপদেষ্টা ও নারী নেত্রী জাকিয়া জিন্নাত বিথীর গনসংযোগ / ছবি - এই বাংলা

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি :

খাগড়াছড়ির আনন্দ নগরে বিকেলের আলোয় জমে ওঠে ভোটের উৎসবমুখর পরিবেশ। অলিগলি জুড়ে মানুষের ভিড়, লিফলেট, পোস্টার আর ধানের শীষের প্রতীক হাতে নারীদের উচ্ছ্বাস—সব মিলিয়ে পুরো এলাকাই যেন নির্বাচনী রঙে রঙিন।

দৈনিক এই বাংলার সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন

এই গণসংযোগের নেতৃত্বে ছিলেন খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির উপদেষ্টা ও নারী নেত্রী জাকিয়া জিন্নাত বিথী। দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত তিনি আনন্দ নগর ও আশপাশের বিভিন্ন পাড়ায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রচারণায় অংশ নেন। তার সঙ্গে ছিলেন জেলা মহিলা দলের শীর্ষস্থানীয় নেত্রীরা।

গণসংযোগে অংশ নেন জেলা মহিলা দলের সভানেত্রী কুহেলী দেওয়ান। আরও উপস্থিত ছিলেন সনাতন সমাজ কল্যাণ পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটি সদস্য সচিব ও জেলা বিএনপি নেতা অশোক মজুমদার, বিএনপি নেতা সাধন দে (বিএনপি সাধন), সাধন চন্দ্র পাল, সুজিত চৌধুরী, রাজিব রায়সহ মহিলা দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেত্রী এবং বিপুলসংখ্যক কর্মী-সমর্থক।

প্রতিটি পাড়ায় নেত্রীদের আগমনে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়। রঙিন পোশাকে নারীদের সারি, কারও হাতে ব্যানার, কারও হাতে লিফলেট, কেউবা পথ দেখিয়ে এগিয়ে নিচ্ছেন নেত্রীদের। অনেকেই ধানের ছড়া হাতে প্রতীকের প্রতি সমর্থন জানান।

জাকিয়া জিন্নাত বিথী ও সহযোদ্ধারা ঘরে ঘরে গিয়ে নারী ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন। তারা বলেন—
“বিএনপি সবসময় গণমানুষের রাজনীতিতে বিশ্বাস করে। পাহাড়ে উন্নয়ন, শান্তি ও সম্প্রীতির রাজনীতি চালিয়ে যেতে অভিজ্ঞ ও যোগ্য নেতৃত্ব প্রয়োজন—যা জননেতা ওয়াদুদ ভূইয়া বহু বছর ধরে প্রমাণ করেছেন।”

বাড়ির উঠোনে জড়ো হওয়া নারীরা বলেন— বাজারের ঊর্ধ্বগতি, কর্মসংস্থানের সংকট, পরিবারের নিরাপত্তা, সড়ক-অবকাঠামোর ঘাটতি—এসব সমস্যায় তারা নিত্যদিন ভুগছেন। নেত্রীরা মনোযোগ দিয়ে তাদের অভিযোগ শোনেন এবং সমাধানের আশ্বাস দেন।

প্রচারণায় নেত্রীরা জানান— ওয়াদুদ ভূইয়ার নেতৃত্বে খাগড়াছড়িতে সড়ক যোগাযোগ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সম্প্রীতি রক্ষা ও কর্মসংস্থানে যে কাজ হয়েছে, জনগণের সমর্থন পেলে তা আরও এগিয়ে নেওয়া হবে।

এলাকাবাসীর ভাষায়— “নারী নেত্রীরা সরাসরি দরজায় দরজায় এসে কথা বলছেন—এটা এই এলাকায় আগে দেখা যায়নি।”
পথঘাটে শিশু-কিশোর, তরুণী, প্রবীণ সবার উপস্থিতিতে নির্বাচনী উত্তাপ আরও স্পষ্ট হয়েছে।

পাহাড়ি-বাঙালি উভয় সম্প্রদায়ের নারীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নজর কাড়ে। নেত্রীরা বলেন— “খাগড়াছড়ির উন্নয়নের ভিত্তি হলো সম্প্রীতি। শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে পাহাড়ি-বাঙালি ঐক্য সবচেয়ে জরুরি।”

শেষে আনন্দ নগরের নারীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করে নেত্রীরা ধানের শীষের পক্ষে সমর্থন চান।
মানুষের মুখে শোনা যায়— “এই নির্বাচনে নারী ভোটাররাই বড় ভূমিকা রাখবে।”

জাকিয়া জিন্নাত বিথীর নেতৃত্বে প্রাণবন্ত এই প্রচারণা খাগড়াছড়ির নির্বাচনী অঙ্গনে নতুন গতি এনেছে—এটি নিশ্চিতভাবেই বলা যায়।

এই বাংলা/এমএস

টপিক

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here