কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে এক নকলনবিশকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আহত নকলনবিশ মো. মমিনুল ইসলাম মমিনকে গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রংপুরে পাঠানো হয়েছে।
রোববার (২ আগস্ট) দুপুরে সদর সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযোগ ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, অফিস চলাকালে অন্যায়ের প্রতিবাদকে কেন্দ্র করে নকলনবিশ মো. মমিনুল ইসলাম মমিনের ওপর হামলা চালানো হয়। তিনি কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার মানাবাড়ী এলাকার বাসিন্দা এবং মো. আবুল কাশেমের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বেশ কিছুদিন ধরে নকলনবিশদের সঙ্গে দলিল লেখক সমিতির কয়েকজন সদস্যের বিরোধ চলছিল। সেই বিরোধের জেরে পূর্বপরিকল্পিতভাবে কয়েকজন তার ওপর হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
আহত অবস্থায় মমিনকে প্রথমে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুরে রেফার করেন।
এ ঘটনায় আহতের স্ত্রী মোছা. বেবী নাজনীন বাদী হয়ে কুড়িগ্রাম সদর থানায় একটি এজাহার দাখিল করেছেন। এজাহারে আবুল কালাম আজাদ, হায়দার আলী, আবুল হোসেন, মিরাজ উদ্দিন, রেদওয়ানুল হক জীবনসহ ৭-৮ জনের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ আনা হয়েছে।
নকলনবিশ সমিতির নেতারা ঘটনার নিন্দা জানিয়ে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং কর্মস্থলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম জেলা রেজিস্ট্রার মো. রুহুল কুদ্দুছ বলেন, “নকলনবিশদের সঙ্গে দলিল লেখকদের বিরোধের জেরে ঘটনাটি ঘটেছে। বিষয়টি পুলিশ দেখছে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
উল্লেখ্য, এ ঘটনায় অভিযোগ করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্তাধীন এবং অভিযুক্তদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।