বরিশাল ব্যুরো :
নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে ঝালকাঠি-২ (সদর ও নলছিটি) আসনে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের মনোনীত দুই প্রার্থীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে নির্বাচন অনুসন্ধান কমিটি।
ঝালকাঠি-২ আসনের নির্বাচনী অনুসন্ধান কর্মকর্তা ও সিভিল জজ মো. আরিফ হোসেন বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় পৃথক নোটিশের মাধ্যমে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী এস এম নিয়ামুল করিম এবং ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম (সিরাজী)-এর কাছে লিখিত ব্যাখ্যা তলব করেন।
দৈনিক এই বাংলার সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন
নোটিশে উল্লেখ করা হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০২৬ এর তফসিল ঘোষণার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সব প্রার্থীকে নিজ উদ্যোগে পোস্টার, ব্যানার, ফেস্টুন, দেয়াললিখন, প্যান্ডেল ও তোরণ অপসারণের নির্দেশনা দেওয়া হয়। কিন্তু নির্ধারিত সময় অতিক্রান্ত হওয়ার পরও ঝালকাঠি সদর ও নলছিটি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ওই দুই প্রার্থীর নাম ও দলীয় প্রতীকসংবলিত পোস্টার ও ব্যানার দৃশ্যমান রয়েছে।
এটি সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণবিধিমালা ২০২৫-এর বিধি ৭-এর উপবিধি (ক) লঙ্ঘনের শামিল বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়।
এ অবস্থায় কেন তাদের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে প্রতিবেদন প্রেরণ করা হবে না অথবা কেন বিচারিক কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে না—সে বিষয়ে আগামী ১১ জানুয়ারি সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে জেলা জজ আদালতের তৃতীয় তলায় অবস্থিত রাজাপুর সিভিল জজ আদালতে সশরীরে উপস্থিত হয়ে লিখিত বক্তব্য জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম (সিরাজী) বলেন, “আমার কর্মীরা বিভিন্ন জায়গা থেকে পোস্টার ও ব্যানার সরিয়ে নিচ্ছে। তবে অনিচ্ছাকৃতভাবে দু-একটি থেকে যেতে পারে। আমি আইন ও নিয়মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই জবাব দেব।”
অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী এস এম নিয়ামুল করিমের বক্তব্য জানার জন্য একাধিকবার তার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া না দেওয়ায় কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
এই বাংলা/এমএস
টপিক

