কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি :
উত্তরের সীমান্ত জেলা কুড়িগ্রামে শীতের প্রভাব ধীরে ধীরে তীব্র আকার ধারণ করছে। নভেম্বরের শেষ দিকেই জেলার তাপমাত্রা নেমে এসেছে ১৪ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। ভোর থেকে বইছে হিমেল হাওয়া, আর কুয়াশার ঘনত্বও প্রতিদিন বাড়ছে। বিশেষ করে রাতের শেষ ভাগ থেকে সকালের শুরুতে শীতের উপস্থিতি বেশ স্পষ্টভাবে অনুভূত হচ্ছে।
দৈনিক এই বাংলার সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন
রোববার (৩০ নভেম্বর) ভোর ৬টায় রাজারহাট আবহাওয়া অফিস জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করে ১৪ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, বর্তমান আবহাওয়ার ধারা বজায় থাকলে আগামী কয়েক দিন শীত ও কুয়াশা আরও বাড়তে পারে।
জেলার বিভিন্ন প্রান্ত ঘুরে দেখা গেছে, ধানক্ষেত, সবজিখেত ও ঘাসের ওপর ঘন শিশির জমে রয়েছে। দিনের বেলায় সূর্যের আলো কিছুটা উষ্ণতা দিলেও সন্ধ্যা নামলেই পরিবেশ ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছে। মধ্যরাতের পর হিমেল হাওয়া শীত অনুভূতি আরও বাড়িয়ে তুলছে।
রিকশাচালক মো. রাজ্জাক আলী জানান, ভোররাতে গাড়ি নিয়ে বের হলে হাত-পা ঠান্ডায় অবশ হয়ে আসে। কুয়াশার ঘনত্ব এতটাই বেশি থাকে যে রাস্তায় লাইট জ্বালিয়ে চলতে হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. তারেক ইসলাম বলেন, “সকালে হাঁটতে বের হলে বেশ ঠান্ডা লাগে। কুয়াশাও আগের চেয়ে বেশি। মনে হচ্ছে শীত পুরোপুরি নেমে এসেছে।”
রাজারহাট আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার বলেন, “আজ ভোরে তাপমাত্রা ১৪ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। প্রতিদিনই কুয়াশা বাড়ছে। সামনে শীত আরও তীব্র হবে বলে আমরা ধারণা করছি।”
শীতের সঙ্গে খাপ খাওয়াতে জেলার মানুষজন ইতোমধ্যে শীতবস্ত্র প্রস্তুত করতে শুরু করেছেন। কৃষিজমিতে শিশির পড়া ফসলের জন্য উপকারী হলেও ভোরবেলার ঘন কুয়াশা যাতায়াতে ভোগান্তি তৈরি করছে। বিশেষ করে নিম্নআয়ের মানুষের শীতজনিত কষ্ট বাড়তে পারে বলে স্থানীয়রা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
এই বাংলা/এমএস
টপিক

