ডিমলায় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট প্রশিক্ষণে অনিয়মের অভিযোগ

ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিনিধি :

 

নীলফামারীর ডিমলায় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের আওতায় পরিচালিত বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট বিষয়ক প্রশিক্ষণে নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। “দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যে ব্যাপক প্রযুক্তি নির্ভর সমন্বিত সম্পদ ব্যবস্থাপনা (ইমপ্যাক্ট)-৩ পর্যায় (দ্বিতীয় সংশোধিত)” শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় আয়োজিত এ প্রশিক্ষণ গত ১০ মে থেকে ১২ মে পর্যন্ত তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হয়।

ডিমলা উপজেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়িত প্রশিক্ষণটি উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের হলরুমে অনুষ্ঠিত হয়। প্রকল্প অনুযায়ী প্রশিক্ষণার্থীদের অন্তত তিন থেকে পাঁচটি গরুর মালিক হওয়ার শর্ত থাকলেও বাস্তবে তার ব্যত্যয় ঘটেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া অনেকেই খামারি নন। তাদের মধ্যে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মচারী এবং অন্য উপজেলার লোকজনও রয়েছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রশিক্ষণার্থী জানান, “এখানে যাদের দেখছি, তাদের অনেককেই চিনি না। খামারি তো দূরের কথা, অনেকেই এই প্রকল্পের সঙ্গে সম্পর্কিত নন।” তিনি আরও বলেন, তিন দিনের প্রশিক্ষণে মাত্র ৬০০ টাকা সম্মানী দেওয়া হয়েছে, যা নিয়ে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে।

দৈনিক এই বাংলার সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন

অভিযোগ রয়েছে, প্রশিক্ষণার্থীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হলেও যথাযথ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়নি। এছাড়া প্রশিক্ষণের জন্য বরাদ্দকৃত সুবিধা ও ভাতাদি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

স্থানীয় সচেতন মহল ও বায়োগ্যাস প্ল্যান্টে আগ্রহী খামারিরা বলছেন, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের এমন গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পে অনিয়ম হলে সরকারের দারিদ্র্য বিমোচন কার্যক্রম ব্যাহত হবে। তারা বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে ডিমলা উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. হাফিজুর রহমান বলেন, “এই প্রশিক্ষণের তালিকা জেলা অফিস থেকে করা হয়েছে। তাই এ বিষয়ে আমি কিছু বলতে পারব না।”

অন্যদিকে জেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা হাসান আলী বলেন, “বর্তমান কর্মদিবসে কয়েকজন প্রশিক্ষণার্থী অনুপস্থিত থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে কিছু প্রশিক্ষণার্থী সংগ্রহ করা হয়েছে। এতে কিছু ত্রুটি হয়েছে।”

এই বাংলা/এমএস

টপিক 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here