সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন দৌড়ে বরিশাল বিভাগের ৩৫ নেত্রী, জেলা ভিত্তিক তালিকায় প্রতিযোগিতা তীব্র

বরিশাল ব্যুরো :

 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে সরগরম হয়ে উঠেছে বরিশাল বিভাগের রাজনৈতিক অঙ্গন। বিএনপি সরকার গঠন করায় এবার সংরক্ষিত আসনে দল কাদের মনোনয়ন দেবে—তা নিয়ে জোর আলোচনা চলছে।

বিভাগে ২১টি সাধারণ আসনের মধ্যে ১৮টিতে জয় পাওয়ায় নিয়ম অনুযায়ী বিএনপি পেতে যাচ্ছে তিনটি সংরক্ষিত নারী আসন। এই তিনটি আসনকে কেন্দ্র করে অন্তত ৩৫ জন নারী নেত্রী সক্রিয়ভাবে মনোনয়ন দৌড়ে রয়েছেন।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ও ত্যাগী নেত্রীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হতে পারে। ফলে জেলা ভিত্তিক সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে প্রতিযোগিতা তীব্র আকার ধারণ করেছে।

বরিশাল জেলা ও মহানগর:
বরিশাল মহানগর ও জেলায় আলোচনায় রয়েছেন—আফরোজা নাসরিন (সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক, মহানগর বিএনপি), ফাতেমা রহমান (সভাপতি, জেলা মহিলা দল), ফারহানা আলম তিথি (সভাপতি, মহানগর মহিলা দল) এবং ডা. জাহানারা লাইজু (ড্যাব নেত্রী)।

ঝালকাঠী জেলা:
ঝালকাঠী থেকে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন জিবা আমিনা আল গাজী, যিনি বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য।

দৈনিক এই বাংলার সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন

ভোলা জেলা:
ভোলায় মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে আছেন—খালেদা খানম, সাজেদা বেগম, ইসরাত জাহান বনি এবং আইনজীবী নূরজাহান বেগম বিউটি।

বরগুনা জেলা:
বরগুনায় প্রতিযোগিতায় রয়েছেন—নূর শাহানা হক, আসমা আজিজ, অ্যাডভোকেট রঞ্জুয়ারা শিপু, অ্যাডভোকেট মেহবুবা আক্তার জুঁই, শারমিন সুলতানা আসমা, নাজমুন নাহার পাপড়ি, অ্যাডভোকেট মারজিয়া হিরা এবং মীরা খান।

পিরোজপুর জেলা:
পিরোজপুর থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে রয়েছেন—এলিজা জামান, রহিমা আক্তার হাসি এবং সুলতানা জেসমিন জুঁই।

পটুয়াখালী জেলা:
পটুয়াখালীতে দৌড়ে আছেন—সালমা আলম লিলি, আফরোজা বেগম সীমা, ফারজানা রুমা, লায়লা ইয়াসমিন এবং সাজিয়া মাহমুদ লিনা।

জানা গেছে, এর বাইরেও বিভাগের বিভিন্ন জেলা থেকে আরও অন্তত ১৫ জন নারী নেত্রী মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে সক্রিয় রয়েছেন।

প্রার্থীদের অধিকাংশই দাবি করছেন, দলের দুর্দিনে তারা রাজপথে সক্রিয় ছিলেন, মামলা-হামলার শিকার হয়েছেন এবং ত্যাগ স্বীকার করেছেন। তাই মনোনয়নের ক্ষেত্রে তাদের অবদান বিবেচনায় নেওয়া হবে—এমন প্রত্যাশাই তাদের।

তৃণমূল নেতাকর্মীদের মত, সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নের ক্ষেত্রে যোগ্যতা ও ত্যাগের যথাযথ মূল্যায়ন নিশ্চিত করা না হলে ভবিষ্যতে দলীয় কর্মকাণ্ডে নেত্রীদের আগ্রহ কমে যেতে পারে।

এদিকে, চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য এখন দলের শীর্ষ নেতৃত্বের দিকেই তাকিয়ে রয়েছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা।

এই বাংলা/এমএস

টপিক 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here